Last Updated:
Mohali Office Murder: পঞ্জাবের মোহালিতে বেসরকারি এক সংস্থার অফিসের ভিতরে গা শিউরে ওঠা ঘটনা। প্রাক্তন প্রেমিকার উপর নৃশংস হামলা চালিয়ে তাঁকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
চণ্ডীগড়: মোহালির এক অফিসে ভয়াবহ ঘটনা ! অফিসের মধ্যে আচমকাই তরুণীর চেয়ারের পিছনে এসে দাঁড়িয়েছিলেন ওই অফিসেরই এক কর্মী। তিনি আসলে ওই তরুণীর ‘এক্স বয়ফ্রেন্ড’ বলে জানা গিয়েছে ৷ কেউ কিছু বোঝার আগেই হঠাৎ ছুরি বার করে তিনি কোপাতে থাকেন ওই তরুণীকে। আততায়ীর হাত থেকে বাঁচতে চেয়ার থেকে উঠে পালাতে গিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। মৃত্যু হয় তরুণীর ৷ ভয়ঙ্কর সেই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ এখন ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ৷
জানা গিয়েছে, দু’জনের মধ্যে আগে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ৷ কিন্তু কয়েক মাস আগে তাদের ব্রেকআপ হয়ে যায়। যুবক আবার সব ঠিক করতে চাইছিল ৷ কিন্তু যুবতী ফের তাকে ‘না’ বলে দেওয়ায় যুবক আর নিজের মাথা ঠিক রাখতে পারেননি ৷ অফিসের মধ্যেই একের পর এক ছুরির আঘাতে প্রাক্তন প্রেমিকাকে খুন করেন ওই যুবক ৷
ঘটনাটি ঘটেছে মোহালির ফেজ-১১-এ বেস্টেক মলের পাশে এক বেসরকারি সংস্থার অফিসে। মৃতার পরিচয়, তিনি পাটিয়ালার বাসিন্দা ৷ বয়স ৩০ বছর ৷ তাঁর নাম ডিম্পল বলে জানা গিয়েছে। আর অভিযুক্তের পরিচয় হরবিন্দর মান ওরফে হ্যারি। পুলিশের তদন্তে সামনে এসেছে, দু’জনেই ওই বেসরকারি প্যাকার্স অ্যান্ড মুভার্স সংস্থায় গত তিন বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করছিলেন।
ব্রেকআপের পরেই হতাশ হয়েছিল প্রেমিক:
তদন্তে জানা গিয়েছে, ডিম্পল আর হরবিন্দরের মধ্যে প্রেম চলছিল। কিন্তু প্রায় ছ’মাস আগে দু’জনের ব্রেকআপ হয়ে যায়। এরপর হরবিন্দর অস্থির হয়ে পড়েন। তিনি বারবার ডিম্পলের সঙ্গে আবার সম্পর্ক করার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু যুবতী রাজি হননি আর তার থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার দিন ডিম্পল অফিসে কাজ করছিলেন। সেই সময় হরবিন্দর সেখানে আসেন আর দু’জনের মধ্যে কোনও বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। ঝগড়া এতটাই বেড়ে যায় যে অভিযুক্ত ছুরি বের করে ডিম্পলের উপর একের পর এক হামলা করে সে। হঠাৎ এই হামলায় অফিসে স্বভাবতই হুলুস্থুল পড়ে যায়, আর কর্মচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
যুবতীকে আক্রমণ করার পর অভিযুক্ত নিজেকেও ছুরি দিয়ে একাধিকবার আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। কর্মচারীরা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দু’জনকেই গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা ডিম্পলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ৷ তবে হরবিন্দরের চিকিৎসা চলছে। তার অবস্থা এখনও সঙ্কটজনক বলা হয়েছে। পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার পিছনে ব্রেকআপ এবং ব্যক্তিগত ঝামেলার কথা সামনে এসেছে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখে মামলার তদন্ত শুরু করছে। কোম্পানির অন্যান্য কর্মচারীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
Kolkata,West Bengal
