Last Updated:
শেরমান যদিও বলেন, “আমার কাছে তৃণমূল মানে মমতা, মমতা মানেই তৃণমূল। তিনি যেখানে, আমিও সেখানে থাকব। আমাদের বিশ্বাস, তিনি হারেননি, তাঁকে হারানো হয়েছে। তবে, তিনি শেষ হয়ে যাননি। ঠিকই ঘুরে দাঁড়াবেন।”
আবীর ঘোষাল, কলকাতা: সুস্মিতা দেব দল ছাড়ায় বিপাকে অসমের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক। গত বিধানসভা নির্বাচনে মান্দিয়া আসন থেকে শেরমন আলি আহমেদ জয়লাভ করেন। এদিন চেষ্টা করেও অসম তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা ও বিধায়ক দলের শীর্ষ নেতৃত্বর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। দল চলবে কীভাবে তা ভেবে বিপাকে অসম তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।
১৫ বছর পর ফের অসমে জিততে পেরেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। মান্ডিয়া বিধানসভা আসন থেকে ২৭ হাজার ৫৬১ ভোটে জয়ী হন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শেরমন আলি আহমেদ। নিকটতম কংগ্রেস প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুল খালিককে পরাজিত করে অসমে আবারও একবার ঘাসফুল ফোটান আলি আহমেদ।
উল্লেখ্য, শেরমন আলি আহমেদ অসম ভোটের কিছুদিন আগেই কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছিলেন। তিনি ছিলেন তিনবারের বিধায়ক। ফলে এবারও তার প্রতি একটা অংশের বড় সমর্থন ছিলই, যা অক্সিজেন জুগিয়েছে তৃণমূলকে। তবে খালেকের সঙ্গে কড়া টক্কর দিয়েই জিততে হয়েছে আলি আহমেদকে।
উল্লেখ্য বিষয় হল, এর আগে ২০০৪ সালে অসমে তৃণমূলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে অলোক ঘোষ। এরপর ২০১১ সালে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে জিতেছিলেন দ্বীপেন পাঠকও। তবে তারপর দু’বছরে আর জেতেনি তৃণমূল কংগ্রেস। অবশেষে শেরমানের হাত ধরে ফের একবার ঘাসফুল ফুটল অসমে। এই অবস্থায় অসমে দলের অস্তিত্ব নিয়ে বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল।
Kolkata,West Bengal
