Last Updated:
Visva Bharati: প্রান্তিক মানুষের কাছে কম খরচে চিকিৎসা পৌঁছে দিতে কবিগুরুর ভাবনাকেই এবার বাস্তবায়িত করছে বিশ্বভারতী। আয়ুষ মন্ত্রকের অধীনস্থ সিসিআরএইচ-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এবার শান্তিনিকেতনে শুরু হচ্ছে ‘আর্নিকা’, ‘ক্যামোমিলা’র মতো ঔষধি গাছের চাষ ও রাসায়নিক বিশ্লেষণ।
বীরভূম, সৌভিক রায়: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বোলপুর শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী এবং ভারত সরকারের আয়ুষ মন্ত্রকের অধীন কেন্দ্রীয় হোমিওপ্যাথি গবেষণা পরিষদের মধ্যে দু’টি মউ স্বাক্ষরিত করা হল। এর ফলে ভেষজ উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণা ও কৃষকদের নতুন পথের দিশা দুই-ই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্বভারতীর কম্পিউটার সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই বিশেষ চুক্তি স্বাক্ষরিত করা হয়। বোলপুর শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীর কর্মসচিব বিকাশ মুখোপাধ্যায় এবং সিসিআরএইচ-এর ডাইরেক্টর জেনারেল সুভাষ কৌশিক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
এর পাশাপাশি মউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পল্লিশিক্ষা ভবনের অধ্যক্ষ পরেশচন্দ্র কোলে, বুদ্ধদেব দুয়ারি, নারায়ণচন্দ্র সরকার-সহ দু’টি প্রতিষ্ঠানের গবেষক ও প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। প্রথম মউ স্বাক্ষরের মাধ্যমে দু’টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করার পথ প্রশস্থ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, যৌথ গবেষণা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন কর্মসূচি চলবে। এখানে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব পাবে বিভিন্ন ধরনের ঔষধি গুণ সমৃদ্ধ উদ্ভিদের চাষ, সংরক্ষণ, রাসায়নিক বিশ্লেষণ।
এর পাশাপাশি দ্বিতীয় মউটি বিশেষ গবেষণা প্রকল্পকে কেন্দ্র করে। ‘অ্যাভেনা স্যাটিভা’, ‘ক্যামোমিলা’ এবং ‘আর্নিকা মন্টানা’ প্রজাতির হোমিয়োপ্যাথিক ঔষধি গুণ সমৃদ্ধ উদ্ভিদের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন কৃষি-জলবায়ু অঞ্চলে কী ভাবে পরিবর্তিত হয়, তা নিয়ে বিশেষ গবেষণা করা হবে। বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গেছে এই প্রকল্পে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি সিসিআরএইচ-এর কলকাতা ও হায়দরাবাদে গবেষণা কেন্দ্রগুলিও অংশ নেবে। এই উদ্যোগ গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে ধারণা।
Birbhum,West Bengal
