Last Updated:
Child Marriage: নাবালিকাকে জোর করে বিয়ে দিচ্ছিল পরিবার৷ বিয়ে দেওয়ার মাত্র ঘণ্টাখানেক আগেই আসরে পুলিশ৷ কীভাবে একটি অচেনা চিঠি থেকেই মিলল সূত্র জানেন?
সিংরৌলি: দিদি পালাতেই জোর করে নাবালিকাকে বসানো হচ্ছিল বিয়ের পিঁড়িতে৷ ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের সিংরৌলি জেলায়৷ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির পাঠানো একটি চিঠির সূত্র ধরে এই ওই নাবালিকাকে বাল্যবিবাহের হাত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ৷
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, নবম শ্রেণীর ছাত্রী ১৩ বছর বয়সী ওই নাবালিকার দিদিক সঙ্গেই বিয়ের ঠিক হয়েছিল বরের৷ অভিযোগ, দিদি বিয়ের কয়েকদিন আগেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়৷ এরপরেই পরিবারের সদস্যরা সেই একই পাত্রের সঙ্গে নাবালিকা বোনের বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
তবে, পুলিশের হস্তক্ষেপেই ভেস্তে যায় ফন্দি৷ বিয়ের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই মণ্ডপে পৌঁছে যায় পুলিশ৷ তখনই পাত্রপক্ষ এবং বরযাত্রীদেরও আসবার কথা৷ পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি সিংরৌলিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ২০২০ ব্যাচের তরুণ আইপিএস অফিসার ও জেলা পুলিশ সুপার শিয়াজ কে এম (Shiyaz KM) যদি ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ না নিতেন, তাহলে নাবালিকা মেয়েটিকে কনে হিসেবে শ্বশুরবাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হত বলেই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে ওই পাত্রের সঙ্গে মেয়েটির দিদির বিয়ে ঠিক হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের প্রায় এক সপ্তাহ আগে বড় বোন বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এর ফলে পরিবারের বিয়ের সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। সামাজিক লজ্জা এবং বিয়ের আয়োজন বাবদ হওয়া আর্থিক ক্ষতি এড়াতেই পরিবারের সদস্যরা একই পাত্রের সঙ্গে ছোট মেয়ের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে অভিযোগ।
ঘটনাটি হয়তো নজর এড়িয়ে যেত, যদি না কেউ গোপনে পুলিশকে খবর দিতেন। এসপি শিয়াজের উদ্দেশে পাঠানো একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, ১৯ জুন এক নাবালিকা মেয়ের বিয়ের প্রস্তুতি চলছে। সেই চিঠির ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং শেষ মুহূর্তে বিয়ে বন্ধ করে নাবালিকাকে উদ্ধার করে।
Kolkata,West Bengal
Jun 21, 2026 10:15 AM IST
