Last Updated:
রবিবারই উদ্ধবের শিবসেনা থেকে দলবদলের ঘোষণা করতে পারেন ছয় সাংসদ। মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে বেশ কয়েক দিন ধরেই ভাঙনের জল্পনা চলছিল। বিদ্রোহীরা আজ সাংবাদিক বৈঠকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারেন।
মুম্বই: মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে বেশ কয়েক দিন ধরেই ভাঙনের জল্পনা চলছিল। উদ্ধবের শিবসেনা শিবিরের একাংশ আজ আনুষ্ঠানিকভাবে দলত্যাগের ঘোষণা করতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা। বিদ্রোহী সাংসদরা আজ সাংবাদিক বৈঠকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাংবাদিক বৈঠকে শিবসেনা (ইউবিটি)-র ছয় বিদ্রোহী সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে তাঁদের বৈঠকের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করতে পারেন। পাশাপাশি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া চিঠির বিষয়বস্তুও সামনে আনা হতে পারে।
বিদ্রোহী সাংসদদের দাবি, ঠাকরে নেতৃত্বাধীন শিবসেনা মূল আদর্শ থেকে সরে এসেছে। সেই কারণেই তাঁরা দল থেকে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, এই পদক্ষেপ দলত্যাগ-বিরোধী আইনের আওতায় পড়বে না।
বিদ্রোহী সাংসদদের মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় দেশমুখ, ওমরাজে নিম্বালকর, ভাউসাহেব ওয়াকচৌরে, নাগেশ পাটিল আশ্টিকার এবং সঞ্জয় দিনা পাটিল। গত ১৬ জুন তাঁরা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দিল্লিতে পৌঁছে নয়ডার একটি হোটেলে ওঠেন। একই দিনে দিল্লিতে পৌঁছন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা প্রধান একনাথ শিন্ডে এবং তাঁর পুত্র শ্রীকান্ত শিন্ডেও।
উল্লেখ্য, চার বছর আগে একনাথ শিন্ডের বিদ্রোহের জেরে ঠাকরে পরিবার শিবসেনার নিয়ন্ত্রণ হারায়। এরপরই উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বে গঠিত হয় শিবসেনা (ইউবিটি)। বর্তমান পরিস্থিতি নতুন করে আরেকটি ভাঙনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা ঠাকরে শিবিরকে আরও দুর্বল করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্রের দাবি, বর্তমানে শিবসেনা (ইউবিটি)-র মোট নয়জন সাংসদের মধ্যে ছয়জনই বিদ্রোহী শিবিরে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন মুম্বই এবং একজন পুনেতে রয়েছেন। দু’জন চেন্নাই থেকে এবং বাকি সাংসদ কলকাতা থেকে সাংবাদিক বৈঠকে যোগ দিতে আসবেন বলে জানা গিয়েছে।
এর আগে বিদ্রোহী সাংসদরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও হয়নি। আজই সেই ঘোষণা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
