Last Updated:
Ram Mandir Donation Theft Case: রাম মন্দিরের অনুদানের অর্থ চুরির অভিযোগে বড় পদক্ষেপ নিল হিন্দু ধর্ম পরিষদ। সুপ্রিম কোর্টে আদালতের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে আবেদন করা হয়েছে।
নয়াদিল্লিঃ রাম মন্দিরের দান চুরির অভিযোগ, আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হিন্দু ধর্ম পরিষদ। আজ প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চে শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে মামলাটি। একইসঙ্গে আরও তিনটি আবেদনও শুনানির তালিকায় রয়েছে, যার মধ্যে দু’টিতে দান চুরির অভিযোগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।
রাম মন্দির দান চুরির মামলায় সব পক্ষকে নোটিস জারি করল সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর বেঞ্চ। নোটিস জারি যোগী সরকারকে। তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টকেও নোটিস জারি করা হল সর্বোচ্চ আদালতের তরফে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের নির্দেশ, উত্তর প্রদেশ সরকার গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) আদালতে একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট দাখিল করবে। এছাড়াও, ওই SIT-এর সদস্যদের গঠন (composition) সম্পর্কেও বিস্তারিত জানাতে হবে। সলিসিটর জেনারেল আদালতকে জনান- এই রিপোর্ট সিলবন্দি খামে আদালতে দাখিল করা হবে।
সুপ্রিম কোর্টের কার্যতালিকা অনুযায়ী, সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনের বেঞ্চে মামলাগুলি শুনানির জন্য উঠবে। মামলাকারীদের আবেদন, প্রণামী চুরির ঘটনার তদন্ত সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে করুক সিবিআই। তাঁরা মনে করেন, মন্দির পরিচালনার দায়িত্বে থাকা শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা উচিত।
প্রসঙ্গত, রামমন্দিরে ভক্তদের দানের কোটি কোটি টাকা নগদ ও মূল্যবান সামগ্রী চুরির ঘটনায় আট জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। এই ঘটনার তদন্ত করছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। তাদের তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মামলাকারীরা। আবেদনকারীদের দাবি, কোনও এফআইআর বা ফৌজদারি মামলা না-করেই তদন্ত শুরু করেছে সিট। তদন্তকারীদের দাবি, রামমন্দির থেকে দৈনিক অন্তত ৬ থেকে ৮ লক্ষ টাকা প্রণামীর টাকা সরানো হত। কারণ, চুরির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরে দৈনিক প্রণামী জমার পরিমাণ ২৪ থেকে ২৬ লক্ষ টাকায় পৌঁছেছে। এত দিন দৈনিক ১৬ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা জমা পড়ত। অভিযোগ, রামমন্দিরের ভিতরে রামদরবারে বসানোর জন্য দান বাবদ মেলা রূপোর তৈরি কাকভূশণ্ডির মূর্তি এবং সোনায় মোড়া রামচরিতমানসের সন্ধান মিলছে না বলে দাবি।
ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ২৬ জুন ‘শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে ইস্তফা দেন চম্পত রায়। সেই সঙ্গে তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সদস্য (ট্রাস্টি) অনিল মিশ্রও পদত্যাগ করেন।
Kolkata,West Bengal
