Last Updated:
Bankura Tourism: বাঁকুড়ার শুশুনিয়া পাহাড়ের ছায়ায় অবস্থিত এক টুকরো গ্রাম বাগডিহা। এখানকার মাহালি পাড়ার ৩০টি পরিবারের প্রধান জীবিকাই হল বাঁশশিল্প। কাঁচামালের আকাশছোঁয়া দাম আর আধুনিক প্লাস্টিকের দাপটে আজ এই কুটিরশিল্প সংকটে। তবূও মাত্র ২০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে হরেক রকমের নিত্যব্যবহার্য বাঁশের জিনিস বানিয়ে লড়াই চালাচ্ছেন শিল্পীরা। শুশুনিয়া বেড়াতে এসে কীভাবে কম খরচে এই গ্রামীণ স্মৃতি সংগ্রহ করবেন? দেখে নিন।
বাঁকুড়া, নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়: বাঁকুড়ার একটি ছোট্ট গ্রাম। আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের বাস। তারা জীবিকা নির্বাহ করেন বাঁশ দিয়ে ঝুড়ি, ঝাঁটা, মুকুট, বড় জাম বাটি আরও কত কি তৈরি করে। যত রকম নিত্য ব্যবহারের জিনিসের কথা মাথায় আসবে সবই তৈরি হয় এই গ্রামে। বাঁশ ঝাড় থেকে বাঁশ কেটে, সারাদিন ধরেই বাঁশের দ্রব্য বানাতে ব্যস্ত থাকে বাঁকুড়ার শুশুনিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বাগডিহা গ্রামের মাহালি পাড়া।
এই গ্রামে গেলে সরাসরি, গ্রামবাসীদের কাছে কিনে নিতে পারবেন খুবই কম মূল্যে বাঁশের তৈরি দ্রব্য। শুরু ২০,৩০ টাকা থেকে, সর্বোচ্চ মূল্য ৫০-৭০ কিংবা ৮০ টাকা। ফলেই যারা ভ্রমণপিপাসু মানুষ রয়েছেন এবং শুশুনিয়া বেড়াতে এসেছেন ও এক টুকরো স্মৃতি নিয়ে যেতে চাইছেন তাদের জন্য এই গ্রাম সত্যিই একটি ভাল ‘অপসন’ হতে পারে। শুশুনিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয় পার করে সোজা কিছুটা আসলেই ডান দিকে চলে যাচ্ছে শিউলিবনা আবার বাম দিকে চলে যাচ্ছে বাগডিহা। গ্রামে মূলত ৩০ টি পরিবারের বাস, এই মুহূর্তে প্রায় ৫৫ জন নিযুক্ত রয়েছেন বাঁশের শিল্পের সঙ্গে।
প্রকৃতির কোলে অবস্থিত শুশুনিয়া পাহাড় দেখতে প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক আসেন। সেই ভ্রমণের সঙ্গেই যদি বাগডিহা গ্রামের মাহালি পাড়ায় একবার ঘুরে আসা যায়, তাহলে খুব কম খরচেই হাতে তৈরি বাঁশের নানান সামগ্রী সংগ্রহ করা সম্ভব। এতে যেমন পর্যটকদের হাতে থাকবে গ্রামীণ বাংলার এক টুকরো স্মৃতি, তেমনই উপকৃত হবেন স্থানীয় শিল্পীরাও। পর্যটনের সঙ্গে কুটিরশিল্পের এই মেলবন্ধন ভবিষ্যতে বাগডিহা গ্রামের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
Bankura,Bankura,West Bengal
Bankura Tourism: মাত্র ২০ টাকায় মিলবে হাতের কাজ! শুশুনিয়া পাহাড়ের কোলেই লুকিয়ে অভিনব ‘বাঁশের গ্রাম’, ঠিকানা জানেন?