Last Updated:
Asim Munir: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বার্তা নিয়ে ইরানে গিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখে পড়লেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির?
‘নিজের প্লেনে ফিরে গিয়ে বসুন’, এমনটাই নাকি শুনতে হয়েছে খোদ পাকিস্তানের সেনা প্রধান আসিম মুনিরকে৷ বুধবার, ইরানের নতুন নিরাপত্তা পরিষদ প্রধান মোহসেন রেজাইয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন পাক সেনাপ্রধান৷ আর সেখানেই কার্যত শুকনো অভ্যর্থনা পেলেন মুনির৷ আর এই বৈঠকেই নাকি রেজাইয়ের আচরণে অসন্তোষ প্রকাশের বদলে মুনিরকে নিজের বিমানে ফিরে যেতে বলা হয় বলেই সংবাদপত্রে প্রকাশ৷
লেবাননের সংবাদপত্র আল-আখবার-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বার্তা নিয়ে রেজাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন মুনির। সেই বার্তায় ইরানকে তাদের ‘সম্পূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি’ নিয়ে ছাড় দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল ওয়াশিংটন।
ইরান ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুনির নাকি রেজাইকে বলেছিলেন, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় তেহরানকে আরও নমনীয় অবস্থান নিতে হবে। জবাবে ইরানের তরফে জানানো হয়, ওয়াশিংটনকেই ইরানের সাতটি শর্ত মেনে নিতে হবে।
অন্য একটি প্রতিবেদনে CNN-News18 রেজাই ও মুনিরের দেহভঙ্গি বিশ্লেষণ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, দু’জনের কথোপকথন সংক্ষিপ্ত ও আনুষ্ঠানিক ছিল। সাধারণত সৌজন্যমূলক কূটনৈতিক অভ্যর্থনায় যে আন্তরিকতা দেখা যায়, এই সাক্ষাতে তা বিশেষ চোখে পড়েনি।
রেজাইকে সংযত ভঙ্গিতে দেখা যায়। অন্যদিকে, কথোপকথনের সময় মুনিরকে তাঁর দিকে কিছুটা ঝুঁকে থাকতে দেখা যায়। প্রকাশিত ফুটেজে দীর্ঘক্ষণ করমর্দন বা আলিঙ্গনের কোনও দৃশ্য ছিল না।
ইরান সফরে সে দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের গালিবাফের সঙ্গেও উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গালিবাফ মুনিরকে জানিয়েছিলেন, ‘ইরানের নতুন করে বলার কিছু নেই।’
আল-আখবার-এর আরও দাবি, রেজাইয়ের কাছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে ‘শেষ হুঁশিয়ানি’ নিয়ে গিয়েছিলেন মুনির। ওয়াশিংটনের দাবি মেনে না নিলে ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলিতে বড় আকারের হামলা হতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনের পারমাণবিক কেন্দ্রের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এই সমস্ত তথ্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদননির্ভর। বৈঠকে ঠিক কী কথা হয়েছে এবং ‘শেষ হুঁশিয়ানি’ দেওয়ার দাবি কতটা সত্য, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
