Last Updated:
দিল্লি গিয়ে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়েরা। ঋতব্রত ছাড়াও তাঁর শিবিরে থাকা ৯ জন বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যান।
সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেস কার? এই মাসের মধ্যেই জানিয়ে দিতে পারে নির্বাচন কমিশন। তেমনটাই কমিশন সূত্রে খবর। আজ প্রায় ২৫ মিনিট ধরে নব তৃণমূলের কথা শুনেছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। আজ অবশ্য নব তৃণমূলের তরফে কোন চিঠি দেওয়া হয়নি। আগে ১২ পাতার যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল তা নিয়ে আলোচনা করেছেন তারা। কমিশন সূত্রে খবর, এবার কালীঘাট তৃণমূলকেও ডাকতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। তারপরেই কমিশন তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ঋতব্রতের দাবি, দলের নামে তৃণমূল থাকলেও দলটা পারিবারিক হয়ে গিয়েছিল। তাঁরা দলটাকে আবার তৃণমূল স্তরে ফেরাতে চান বলে জানিয়েছেন ঋতব্রত। তাঁর কথায়, “আমাদের লড়াই ব্যক্তি এবং পরিবারের বিরুদ্ধে। তার পরেই অভিষেকের নাম না করে তাঁর কটাক্ষ, “‘চাটার্ড ব্যুরোক্র্যাটের কথায় দল চলবে না।”
নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ‘‘২২ জুন তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক হয়। জাতীয় কর্মসমিতি গঠনের পরই কমিশনকে জানানো হয়। নির্বাচন কমিশনারদের ধন্যবাদ জানিয়েছি ৷ নির্বাচন কমিশন আমাদের দাবি শুনেছে। দ্রুত কমিশন আমাদের সিদ্ধান্ত জানাবে। আমরা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ৷ বেশিরভাগ সাংসদ ও বিধায়করাই আমাদের সমর্থনে ৷ প্রতীক ও তহবিল আমাদেরই, আমরাই তৃণমূল কংগ্রেস ৷ আমাদের চেয়ারম্যানের নাম অরূপ রায় ৷ চাটার্ড, মাফিয়ারা TMC-কে হাইজ্যাক করেছিল ৷’’ এদিকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’ হওয়ার নিয়ে অস্বস্তি রয়েই গেল কালীঘাট তৃণমূলের! ‘ফ্রিজ’ হয়ে থাকা অ্যাকাউন্টগুলি খোলার আর্জি নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তারা। কিন্তু এখনই সেই আর্জির সুরাহা হল না। আপাতত ‘ফ্রিজ’ হয়েই থাকছে তৃণমূলের তিনটি অ্যাকাউন্ট।
তৃণমূলের ‘ফ্রিজ়’ হওয়া অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত মামলার বৃহস্পতিবার শুনানি ছিল হাই কোর্টে। তাতে জোড়াফুলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ়’ হওয়া নিয়ে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে হলফনামা তলব করলেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে নিজেদের বক্তব্য হলফনামা আকারে জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এ বিষয়ে তদন্ত কত দূর এগোল, সে বিষয়ে পুলিশকেও একটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।
Kolkata,West Bengal
