কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক কাকলি ঘোষ দস্তিদারের। নবান্নের বৈঠক নতুন করে সমীকরণ ? সূত্র মারফত খবর, এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ নাম লিখিয়েছেন NCPI-এ। তাঁদেরই প্রতিনিধি হয়ে আচমকা নবান্নে বৈঠক করলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
তাহলে কি ফের নতুন কোনো সমীকরণ ? মূলত সেই সমীকরণের জল্পনাই উসকে দিয়েছে আজকের এই বৈঠক। এদিন সন্ধ্যে ৭ নাগাদ আচমকাই কাকলি ঘোষ দস্তিদার, তিনি নবান্নে গিয়ে পৌঁছন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় ছিলেন। সেখান থেকে তিনি নবান্নে যান। এবং যেটা জানা যাচ্ছে, প্রায় ১ ঘণ্টার বেশি তাঁদের মধ্যে বৈঠক হয়। এবং সূত্র মারফৎ এটাও জানা যাচ্ছে, রাজ্যে যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প , যেগুলি দীর্ঘদিন ধরে আটকে আছে, সেই প্রকল্পে রাজ্য সরকারের সহায়তা কী, আজকে কাকলি ঘোষ দস্তিদার বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে।
গত ১৫ বছরে ক্ষমতায় থাকাকালীন এভাবেই ফুলে ফুলে ঘাস ফুলের বাগান ভরে উঠেছিল। কিন্তু, ক্ষমতা যেতেই রাতারাতি বাগান ছারখার। লন্ডভন্ড মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের তৈরি তৃণমূল। পুরসভা, বিধানসভা, কর্পোরেশন, জেলা পরিষদের পর এবার সংসদেও ভাঙতে চলেছে তৃণমূল। বিধানসভায় বিদ্রোহী বিধায়করা যখন জোট বেঁধে তাঁর নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছিলেন, তখন চুপ করে বসে তা দেখতে হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। এবার সংসদীয় দলও যখন ভাঙনের মুখে, তখনও তা আটকানোর কার্যত কোনও ক্ষমতাই নেই একদা তৃণমূলের সর্বেসর্বার হাতে।
সম্প্রতি কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, রাজনৈতিক দল তাঁর মাহাত্ম হারায় বলে আমার মনে হয়। আর আমি নেত্রী মমতা বন্দ্যোাপধ্যায়ের সঙ্গে আছি ৪০-৪২ বছর। অনেকে বলছেন যে, ক্ষমতায় নেই বলে, আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার কথা আমি বলি, ২০১১ সালের আগে কিন্তু ক্ষমতায় ছিলাম না আমরা। যারা ২০১১ সালের পরে এসেছে, তাঁরা ক্ষমতালোভী হতে পারে। কিন্তু বিশেষ করে আমার কথা বলতে পারি, আমার মতন কয়েকজন আমরা যারা, ৮৪ সালে উনি যখন প্রথমবার যাদবপুর লোকসভায় দাঁড়ালেন, তার পর থেকেই উনি আমাকে ৫ বার বিভিন্ন নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছেন। লোকসভা, বিধানসভা। প্রত্যেকবার আমি হেরেছি। ৫ বার। কিন্তু লড়াই থামেনি। ‘
Taratala News: তারাতলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের দেখতে SSKM-এ স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত