ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে নেতানিয়াহু জানান, আমন্ত্রণের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি। পাশাপাশি, সন্ত্রাসবাদ দমনে ভারত ও ইজরায়েলের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।
নেতানিয়াহু লেখেন, “আমার বন্ধু, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছি। ইজরায়েলের স্বাধীনতা দিবসে দেশের বীর ভারতীয় পাইলটের সঙ্গে মশাল জ্বালানোর জন্য তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। মোদি আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, স্থলভাগে এবং আকাশে ভারত ও ইজরায়েল একসঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। আমাদের দীর্ঘদিনের সাহসী সম্পর্কের প্রশংসাও করেছেন তিনি।”
অন্যদিকে, এক্স-এ একটি পোস্টে মোদি জানান, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিক অগ্রগতি নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, পারস্পরিক সহযোগিতা আরও মজবুত করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেছেন দুই নেতা।
মোদি লেখেন, “পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও আমরা মতবিনিময় করেছি। ওই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জরুরি প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছি।”
গত ৩০ সেপ্টেম্বর গুরুতর আহত হয়েছিলেন ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছর। অভিযোগ, দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের FZ1073 বিমানে তাঁর সহ-পাইলট, ওমানের এক নাগরিক, কুড়ুলজাতীয় একটি যন্ত্র দিয়ে তাঁকে আক্রমণ করেন।
বিমানটিতে ১৭৪ জন যাত্রী ছিলেন। ঘটনার পর বিমান থেকে জরুরি সঙ্কেত পাঠানো হয়। ৩৪,০০০ ফুট উচ্চতায় থাকা বিমানটি দ্রুত নেমে প্রায় ১৭,০০০ ফুট উচ্চতা হারায় বলে প্রতিবেদনগুলিতে দাবি করা হয়েছে।
ককপিটে আহত অবস্থায় স্মিত বুঝতে পারেন, বিমানটি দ্রুত নীচে নেমে যাচ্ছে। এরপর ককপিটের দরজা খোলার জন্য তিনি শেষবারের মতো জোরালো চেষ্টা করেন বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনার পর স্মিত মচ্ছারের সঙ্গে কথা বলেছিলেন নেতানিয়াহু। তাঁর সাহসিকতার প্রশংসা করে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “আপনি ইজরায়েল, ভারত এবং গোটা বিশ্বের কাছে একজন বীর। ইজরায়েলের স্বাধীনতা দিবসে আপনাকে মশাল জ্বালানোর জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”