Last Updated:
আগামী ১৯ জুন সুইৎজারল্যান্ডের জেনেভায় মুখোমুখি বসবেন ইরান ও আমেরিকার শীর্ষ কর্তারা। সেখানেই আনুষ্ঠানিক ভাবে চুক্তি স্বাক্ষর হবে বলে জানা গিয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে ট্রাম্পও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
ওয়াশিংটন: আমেরিকা এবং ইরান রবিবার দীর্ঘ আলোচনার পর অবশেষে এক শান্তি চুক্তিতে পৌঁছেছে ৷ যেখানে দুই পক্ষই সব ফ্রন্টে, লেবানন-সহ সামরিক অভিযান তাৎক্ষণিক এবং স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৷ যিনি এই চুক্তিকে পশ্চিম এশিয়ার ওই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার দিকে একটি বড় পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেছেন।
The Times-এর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে টোল ফ্রি’ থাকবে জাহাজগুলির জন্য। ট্রাম্প চুক্তির শর্তাবলীও ব্যাখ্যা করেছেন ৷
ট্রাম্প বলেছেন, এই চুক্তি নিশ্চিত করবে যে হরমুজ প্রণালী, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিপিং রুট, সেখানে নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াত বজায় থাকবে। তিনি আরও বলেছেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর আপত্তি সত্ত্বেও এই চুক্তি ইজরায়েলকে একটি সম্ভাব্য বিপর্যয়কর পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করেছে।
ট্রাম্পের মতে, চুক্তিটা হয়েছিল যদিও নেতানিয়াহু আলোচনার বিরোধিতা করেছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও সতর্ক করেছিলেন যে, এই চুক্তি ছিল শুধু একটা বড় কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার শুরু, যেখানে ইরানের পারমাণবিক প্রোগ্রামও জড়িত।
ভবিষ্যতের পারমাণবিক আলোচনা নিয়ে সতর্কবার্তা:
ট্রাম্প বলেছিলেন, যদি ইরান আমেরিকার সঙ্গে চূড়ান্ত পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সামরিক অভিযান আবার শুরু হতে পারে। তিনি বলেছিলেন, যদি আলোচনা ভেঙে যায়, তাহলে তিনি হয় তেহরানে সামরিক হামলা আবার শুরু করবেন, অথবা আমেরিকাকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের অভিভাবক’ বানিয়ে দেবেন ৷ বিনিময়ে ওই অঞ্চলের ২০ শতাংশ আয় নেবেন।
শনিবার শান্তিচুক্তির ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বড় ঘোষণা আসতে চলেছে। সেই মতো এ দিন মাঝরাতে ট্রুথ সোশ্যালে ‘শান্তি চুক্তি সম্পন্ন’ করার কথা জানান তিনি। সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্প লেখেন, ‘‘ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হচ্ছে। আমেরিকান নৌবাহিনীকে অবরোধ তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি।’’
Kolkata,West Bengal
