Last Updated:
রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানি, শুক্রবার ঘোষণা করেছেন যে তাদের সংস্থা মুম্বইয়ে ১৩০ একর বিস্তৃত কোস্টাল রোড গার্ডেন্স নির্মাণের কাজ নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই বৃহৎ সবুজায়ন প্রকল্পটিকে এমনভাবে কল্পনা করা হয়েছে, যাতে এটি শহুরে উদ্যানের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে পরিচিত Hyde Park (লন্ডন) অথবা Central Park (নিউ ইয়র্ক)-এর সমতুল্য হয়ে মুম্বইয়ের নিজস্ব পরিচয় বহনকারী এক অনন্য সবুজ পরিসরে পরিণত হয়।
মুম্বই: সদা ব্যস্ত শহরে শান্তির ঠিকানা। বাণিজ্যনগরীর নতুন ফুসফুস। মুম্বইয়ের কোস্টাল রোড গার্ডেন। সাগর পাড়ে সাজানো বাগান। স্বপ্নের দিশা দেখালেন নীতা আম্বানি। মুম্বই। সদা ব্যস্ত শহর। বিরাম নেই। ঘুম নেই। অনেকে বলেন, বাণিজ্যনগরীর নিঃশ্বাস নেওয়ারও সময় নেই। সেই শহরের জন্যই নতুন ফুসফুস। ব্যস্ত শহরে শান্তির ঠিকানা। সমুদ্রপাড়ের রাস্তার পাশে সাজানো বাগান। কোস্টাল রোড গার্ডেন্স।
রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানি এদিন জানান, ‘‘গত বছর, আমি আপনাদের সঙ্গে মুম্বইয়ের উপকূলরেখা জুড়ে গড়ে ওঠা এক স্বপ্নের কথা ভাগ করে নিয়েছিলাম — কোস্টাল রোড গার্ডেন্স। এখন আমাদের সঙ্গে রয়েছে বিশ্বমানের ল্যান্ডস্কেপ আর্কিটেক্ট, পরিবেশবিদ, পরিকল্পনাবিদ এবং প্রকৌশলীদের একটি দল, যারা এমন একটি মাস্টার প্ল্যানের নকশা প্রণয়নে কাজ করছেন, যেখানে বৈশ্বিক দক্ষতার সমন্বয় ঘটবে, অথচ তার চেতনা থাকবে একান্তভাবেই এবং স্বতন্ত্রভাবে মুম্বইয়ের।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রাথমিক কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে, এবং ১৫,০০০টি গাছ সাইটে রোপণ করা হয়েছে। ১৩০ একর জুড়ে বিস্তৃত এই উদ্যানগুলোতে ৬০,০০০-এরও বেশি গাছের আবাস হবে, যা মুম্বইয়ের জন্য একটি বিশাল নতুন সবুজ ফুসফুস গড়ে তুলবে।’’
সাগর পাড়ে ‘গাছের মিউজিয়াম’ ৷ প্রায় ১৩০ একর জমিজুড়ে তৈরি হচ্ছে এই বাগান ৷ ৬০ হাজার গাছের ঠিকানা ৷ ১৫ হাজার গাছ বসানোর কাজ শেষ হয়েছে ৷ থাকবে হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর জায়গা, খোলা মাঠ, জিম ৷ ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস, কবাডি খেলার ব্যবস্থাও থাকবে ৷
রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানি আরও জানান, ‘‘কোস্টাল রোড গার্ডেন্স মুম্বইয়ের চেতনার প্রতি একটি শ্রদ্ধার্ঘ্য ৷ এমন একটি স্থান যেখানে প্রতিটি মুম্বইকর প্রকৃতির সঙ্গে পুনরায় সংযোগ স্থাপন করতে পারবেন, এবং এটি আমাদের শহরের দীর্ঘমেয়াদি সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণে একটি বিনিয়োগ। বিশ্বের প্রতিটি মহান শহরেরই এমন একটি প্রতীকী উদ্যান রয়েছে, যার মাধ্যমে সেই শহর পরিচিত হয়ে ওঠে।’’
বিশ্বের প্রথম সারির প্রতিটি শহরেই আছে শান্তির ঠিকানা। নিউইয়র্কে সেন্ট্রাল পার্ক। লন্ডনে হাইড পার্ক। সিঙ্গাপুরে বোটানিক গার্ডেন্স। এবার মুম্বই পাবে কোস্টাল রোড গার্ডেন্স। বাণিজ্যনগরীর ফুসফুস। গতিশীল মুম্বইয়ে শান্তির ছায়ায়। প্রকৃতির মায়ায়।
Kolkata,West Bengal
