Last Updated:
ওমপ্রকাশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা রাম গোপাল যাদবের চিঠির কথা উল্লেখ করে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। তবে, তাঁর এই দাবির বিষয়ে সমাজবাদী পার্টির পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
লখনউ: জাতীয় রাজনীতিতে আরেক নতুন খেলা। ওম প্রকাশ রাজভর সমাজবাদী পার্টি সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি করলেন এবার। তিনি বলেন, সমাজবাদী পার্টিতে শীঘ্রই একটি বড় বিভাজন দেখা দিতে পারে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ পোস্ট করে তিনি দাবি করেন যে দলের মধ্যে সবকিছু ঠিকঠাক নেই। অনেক নেতা দল ছেড়ে যেতে পারেন।
ওপি রাজভর এসপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন। তিনি জানান, খনি কেলেঙ্কারি এবং গোমতী রিভার ফ্রন্ট কেলেঙ্কারির বিষয়ে পুরো রাজ্য জানে। তাঁর মতে, তদন্তকারী সংস্থাগুলি অবৈধ খনি মামলায় ইতোমধ্যেই অখিলেশ যাদবের নাম উল্লেখ করেছে। তিনি আরও বলেন, তদন্তের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসপি-র উদ্বেগও বাড়ছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাজভর দাবি করেন যে, শুধু মহারাষ্ট্র বা পশ্চিমবঙ্গই নয়, উত্তর প্রদেশেও নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে। সেখানেও বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
বাংলার পরে মহারাষ্ট্র, তৃণমূলের পরে মহারাষ্ট্রের শিবসেনা দলেও বড়সড় ভাঙন। কয়েক দিন আগেই তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং যোগ দিয়েছেন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে। তাঁরা এনসিপিআই দলে যোগ দেন এবং পরে এনডিএকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন। বিরোধী ইন্ডিয়া জোট এর জেরে বড় ধাক্কা খেয়েছে। এবার ফের বড় ধাক্কা খেতে পারে বিরোধী জোট। এবার ধাক্কা উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনায়। শিবসেনা সাংসদেরা প্রথমে বুধবার দিল্লিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন। তারপর তাঁদের যোগদানের ঘোষণা করেন। ঠাকরের শিবসেনায় এটি দ্বিতীয় বিভাজন। এর আগে ২০২২ সালে একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বে দলটি বিভক্ত হয়েছিল। তখন নির্বাচন কমিশনও একনাথ শিন্ডের গোষ্ঠীকে মূল শিবসেনার মর্যাদা দিয়েছিল। সেই সময় ঠাকরে তার গোষ্ঠীর নাম দেন শিবসেনা ইউবিটি।
নিউজ১৮ মারাঠির একটি প্রতিবেদন অনুসারে, মহারাষ্ট্র বিধানসভায় শিবসেনা (ইউবিটি)-র ২০ জন বিধায়ক রয়েছেন। শোনা যাচ্ছে যে, এই বিধায়কদের মধ্যে ১৬ জন একনাথ শিণ্ডে গোষ্ঠীতে যোগ দিতে পারেন। এর আগে, তৃণমূল কংগ্রেসের ২২ জন সাংসদও দলত্যাগ করে এনসিপি-তে যোগ দিয়েছিলেন। এনসিপি এনডিএ-র মধ্যে একটি খুবই ছোট দল। তাই, জাতীয় রাজনীতির দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। শিবসেনা (ইউবিটি)-র এই বিভাজন কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন এনডিএ-কে সরাসরি লাভবান করবে। এর ফলে তাদের সংখ্যাগত শক্তি আরও বাড়বে। মনে করা হচ্ছে যে, কেন্দ্রীয় সরকার লোকসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে, যাতে তারা আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংশোধনী বিল পাস করতে পারে। শিবসেনা (উদ্ধব ঠাকরে) গোষ্ঠীর সাংসদদের যোগদানের ফলে লোকসভায় এনডিএ-র শক্তি প্রায় ৩২০-এ পৌঁছেছে।
প্রসঙ্গত ভোটের ফলের পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে যান অখিলেশ যাদব। দীর্ঘক্ষণ দুই নেতা-নেত্রীর বৈঠক হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরের দিকে এগিয়ে গিয়ে তৃণমূলনেত্রীকে উত্তরীয় পরিয়ে দিতে দিতে অখিলেশ বলেন, “দিদি, আপনি হারেননি। মমতাও প্রত্যুত্তরে বলেন, “হ্যাঁ আমরা হারিনি।”
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
