Last Updated:
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল নেতা আখরুজ্জামান। একই সঙ্গে কল্যাণ বন্দোপাধ্যায় এবং কালীঘাট তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন তিনি।
কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল থেকে পদত্যাগ করার পরেই দূরত্ব বাড়িয়ে ঋতব্রতদের সঙ্গী হয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন আখরুজ্জামান।
তিনি বলেন, “বেইমানি কে করেছে আমাদের জানা নেই, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন নেত্রীকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি রক্তের সম্পর্কের সঙ্গে থাকবেন নাকি দলের সঙ্গে থাকবেন। সেই সময় বার বার রক্তের সম্পর্ককে বেছে নিয়েছেন দিদি। তাই দল ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন। চন্দ্রিমাদি আমাদের নেত্রী, মহিলা তৃণমূল ছেড়ে চলে এলেন। উনি আজ আমাদের বিরোধী দলনেতার ঘরে এসেছেন, চা খেয়েছেন”।
সেই সঙ্গে দল ভাঙার জবাবে তিনি বলেন, “দল ভাঙার খেলা প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুরু করেছিলেন। উনি আমায় প্রথম কংগ্রেস থেকে নিয়ে আসেন। দল ভাঙার সাক্ষী আমি নিজেই। আমায় নিজেকে জোর করে কংগ্রেস থেকে নিয়ে আসা হয়”।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, “অনেক দিন ধরেই বলছিল পদত্যাগ করবে”। ছেলে নব তৃণমূলে আর মা আদি তৃণমূলে থাকা নিয়ে সেই সময়েই জল্পনা তৈরি হয়েছিল৷ তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ‘‘মিউজিক্যাল চেয়ারের মতো। সৌরভ বসু কার ছেলে, কার নাতি গু্রুত্বপূর্ণ নয়। ব্যক্তি সৌরভ বসু এসেছেন৷’
এদিন ফেসবুক লাইভে এসে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায় ঘোষণা করেন দলের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব তিনিই পালন করবেন। সুব্রত বক্সী সুস্থ না হয়ে ওঠা পর্যন্ত এবার দলের রাজ্য সভাপতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে দলে দুজন সাধারণ সম্পাদক হিসাবে যোগ হলেন কুণাল ঘোষ এবং মদন মিত্র।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
