Last Updated:
কলকাতা বন্দরের ১৭০.৪ একর জমি জবরদখলকারীদের কব্জায়। জবরদখলকারী হটাতে পুরোদস্তুর ময়দানে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সূত্রের খবর, প্রয়োজনে ভেঙে ফেলা হবে অবৈধ স্ট্রাকচার৷
কলকাতা: তারাতলার ঘটনার পরে কড়া বন্দর কর্তৃপক্ষ। জবরদখলকারী হটাতে পুরোদস্তুর ময়দানে বন্দর কর্তৃপক্ষ। রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় পুরোদস্তুর নিজেদের জমি ফেরাতে চায় তারা। সূত্রের খবর, প্রয়োজনে অবৈধ স্ট্রাকচার ভেঙে ফেলা হবে। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় জল ও স্থল মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার একর সম্পত্তি রয়েছে বন্দরের।
কলকাতা বন্দরের ১৭০.৪ একর জমি জবরদখলকারীদের কব্জায়। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর সূত্রে খবর, ‘শুল্ক আবদ্ধ এলাকা’য় ৪২১ একর জমি ব্যবহৃত হচ্ছে। তার বাইরের এলাকায় রয়েছে ৪,১২২ একর জমি। আর ১৭০.৪ একর জমি জবরদখল হয়ে রয়েছে। গত পাঁচ বছরে ২,৯৯৪ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা আয় করেছেন কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। গুদাম ব্যবস্থার উন্নতি, জাহাজ মেরামতি পরিষেবা এবং নদীর তীর সৌন্দর্যায়নের মাধ্যমে কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষের আয় হচ্ছে।
কিন্তু আয় বাড়াতে গেলে জবরদখল সরাতে হবে।
কলকাতা বন্দরের জমি থেকে যদি জবরদখল হটানো সম্ভব হয়, তা হলে জমি তথা সম্পত্তিকে (এস্টেট) কাজে লাগিয়ে বন্দর বছরে এক হাজার কোটি টাকা আয় করতে পারবে। প্রথম লক্ষ্য কোয়ার্টার থেকে জবরদখল সরানো। হাওড়া ও কলকাতার প্রধান অংশে গঙ্গার পাড় দখলমুক্ত করা।
২৪ জুন তারাতলায় ট্রান্সপোর্ট ডিপো রোডে একটি নির্মীয়মাণ গুদাম ভেঙে মৃত্যু হয় ১৬ জন শ্রমিকের। কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে থেকে ইজারা নেওয়া জমিতে যে সংস্থা গুদাম তৈরি করছিল, সেই সংস্থার মালিক থেকে কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়রের ওএসডি-কে গ্রেফতার করা হয়েছে এই ঘটনায়। দালাল এবং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ত্রুটিপূর্ণ নকশা পুরসভা অনুমোদন দিয়েছে বলে অভিযোগ। ওই নকশা তৈরির ক্ষেত্রে কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না, তা-ও তদন্তকারীদের আতশকাচের নীচে রয়েছে। আঙুল উঠেছে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের দিকে।
Kolkata,West Bengal
