Last Updated:
২০ জুলাই থেকে শুরু হবে সংসদের বাদল অধিবেশন। তার আগেই তৃণমূল এবং উদ্ধবের শিবসেনা সাংসদদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।
নয়াদিল্লি: ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা সংসদের বাদল অধিবেশনের আগে তৃণমূল এবং শিবসেনা সাংসদদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তাঁর রায়ের উপরই নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট সাংসদদের ভবিষ্যৎ এবং লোকসভায় তাঁদের আসন বিন্যাস।
তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থি কী ঘটেছে?
তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন সাংসদ দল ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া (NCPI)-তে যোগ দিয়েছেন। তাঁরা লোকসভায় আলাদা আসন বরাদ্দের আবেদনও করেছেন। পাশাপাশি, তাঁরা নরেন্দ্র মোদী সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে এনডিএ যোগদানের ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে মোট ২৯ জন সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হওয়ায় বর্তমানে একটি আসন শূন্য রয়েছে।
অন্যদিকে, শিবসেনা (ইউবিটি)-র ৯ জন সাংসদের মধ্যে ৬ জন ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা শিবিরে যোগ দিয়েছেন।
তৃণমূল ও শিবসেনার দাবি কী?
তৃণমূল কংগ্রেস এবং শিবসেনা (ইউবিটি) উভয়ই স্পিকারের কাছে আবেদন জানিয়ে বিদ্রোহী সাংসদদের দলত্যাগ বিরোধী আইনের (সংবিধানের দশম তফসিল) আওতায় অযোগ্য ঘোষণা করার দাবি করেছে।
দুই দলেরই বক্তব্য, কেবলমাত্র বৈধভাবে দল মার্জার হলে দলত্যাগ আইন থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব। শুধুমাত্র দুই তৃতীয়াংশ সাংসদ দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিলে তা বেআইনি।
কী বললেন ওম বিড়লা?
শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বলেন, দলত্যাগ বিরোধী আইন সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে কি না, সেই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলগুলিকেই আলোচনা করে নিতে হবে।
দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় জনপ্রতিনিধিদের অযোগ্য ঘোষণার সাংবিধানিক ও প্রক্রিয়াগত কাঠামো পর্যালোচনার জন্য তাঁর গঠিত স্পিকারদের কমিটি নিয়ে প্রশ্নের জবাবেই এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, এই আইন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক দলগুলির উপরই নির্ভর করে।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
