Last Updated:
Jute Cultivation: খোলা বাজারে পাটের দাম আকাশছোঁয়া, কিন্তু সেই লাভের গুড় ঘরে তোলার মতো পরিস্থিতি নেই মুর্শিদাবাদের কৃষকদের। জেলা জুড়ে তীব্র অনাবৃষ্টি আর জল সংকটের জেরে ১ লক্ষ ২০ হাজার হেক্টর জমির পাটগাছ মাঠেই শুকিয়ে যাচ্ছে। খাল-বিল শুকিয়ে থাকায় পাট পচানোর (জাক দেওয়ার) জলটুকুও নেই। ফলে রেকর্ড দাম থাকা সত্ত্বেও পরপর দু’বছর বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছেন মুর্শিদাবাদের লক্ষাধিক পাট চাষি।
মুর্শিদাবাদ, কৌশিক অধিকারী: রাজ্যের প্রধান অর্থকরী ফসল পাট। যার বেশি অংশই উৎপাদন হয় মুর্শিদাবাদ জেলায়। জেলায় ব্যাপক বৃষ্টির ঘাটতিতে সংকটের মুখে পড়েছে জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল পাট চাষ। জেলায় এবছর ১ লক্ষ ২০ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষ করেছেন কয়েক লক্ষ চাষি। জল সংকটে পড়ে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়েছেন পাট চাষিরা। মূলত জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত কৃষকেরা পাট গাছ কাটা ও জাক দেওয়ার কাজ করেন। এলাকার খাল বিল ও পুকুর ডোবায় প্রথাগত পদ্ধতিতে পাট পচানোর জন্য জাক দেওয়া হয়। আষাঢ় মাস শেষ হতে চললেও এপর্যন্ত বৃষ্টির ঘাটতিতে জল জমেনি কোথাও।
মুর্শিদাবাদ জেলার অন্যতম অর্থকারী তন্তু জাতীয় ফসল হল পাট। মুর্শিদাবাদ জেলার বৃহৎ অংশে পাট চাষ হয়ে থাকে। একাধিক চাষি নির্ভর করেন পাট চাষের উপর। পাট চাষে প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণ জল। কিন্তু আষাঢ় মাস শেষ হতে চললেও ভারী বর্ষণ না হওয়ার কারণে চরম দুর্ভোগে মুর্শিদাবাদ জেলার পাট চাষিরা।
মুর্শিদাবাদ জেলার ডোমকল থেকে বহরমপুর, জঙ্গিপুর মহকুমা এমনকি হরিহরপাড়া এলাকায় পাটচাষ করে থাকেন পাট চাষিরা। জলঙ্গি থেকে হরিহরপাড়া ব্লক সর্বত্রই অবস্থা একই। হোসেনপুর, দস্তুরপাড়া, শ্রীহরিপুর, চোঁয়া, ট্যাংরামারি-সহ বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার বিঘা জমিতে পাট চাষ করা হয়। কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ায় জেরে চরম সঙ্কটে বর্তমানে পাট চাষিরা। সারাদিনে তিন-চারবার করে জমিতে সেচ দিয়েও গাছ বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে না বলেই অভিযোগ করেছেন চাষিরা।
Murshidabad,Murshidabad,West Bengal
Jute Cultivation: লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে পাটের দাম, কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়! এবারেরও ব্যাপক লোকসানের আশঙ্কায় মুর্শিদাবাদের পাট চাষিরা