Last Updated:
Mahesh Rath Yatra: কিংবদন্তি অনুযায়ী, জগন্নাথ দেবের নাকি স্বয়ং বাংলার মিহিদানা খাওয়ার শখ হয়েছিল। তাই আজও স্থানীয় কিছু প্রাচীন মিষ্টির দোকানে তৈরি ঘুটকে সন্দেশ ও মিহিদানা মহাপ্রভুকে পরম ভক্তিতে নিবেদন করা হয়।
মাহেশ: পুরীর মতো কাঠের রথ নয়। জগন্নাথ, বলরাম বা শুভদ্রার মতো আলাদা আলাদা রথ নয়। হুগলির মাহেশের রথ একটাই। এখানে রথ হল লোহার। ১৪১ বছরের পুরানো সেই রথই এখনও পুজো হয়ে আসছে হুগলি জেলার মাহেশে। মাহেশের এই রথযাত্রা উৎসব ৬৩০ বছরের পুরানো। সম্ভবত, বঙ্গের সবচেয়ে পুরনো রথযাত্রার উৎসব৷
প্রায় ৫০ ফুট উচ্চতার এই রথ আগে কাঠের ছিল। যদিও দীর্ঘ দিন ধরে সেই রথ পুজিত হতে হতে কাঠের সেই রথে ক্ষয় ধরতে শুরু করে। শ্যামবাজারের বসু পরিবারের সঙ্গে মাহেশের অধিকারী পরিবারের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ। তাঁরা জগন্নাথ মন্দিরের সেবক। তাঁরা ইচ্ছাপ্রকাশ করেন নতুন রথ তৈরি করে দেবেন। ১৪১ বছর আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কাঠের রথ বদলে ফেলা হবে। তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কাঠের বদলে রথ হবে লোহার। সেই রথ এখনও যা পুজিত হয়ে আসছে৷
১৪১ বছরের এই রথ সেই সময় তৈরি করতে খরচ হয়েছিল ২০ হাজার টাকা। মাহেশের এই রথ পরিচিত নীলাচল নামে। শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু একাধিকবার এই রথ যাত্রায় অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি মাহেশের নাম দেন নব নীলাচল। সেই অনুযায়ী মাহেশের রথ পরিচিত নীলাচল রথ নামে।
মন্দিরের প্রধান সেবায়েত সৌমেন অধিকারী জানিয়েছেন, “ঐতিহাসিক এই রথ যাত্রায় রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব অবধি যোগদান করেছিলেন। এই রথের প্রতিটি অংশে ইতিহাস জড়িয়ে আছে।” এই রথে প্রতি বছর জগন্নাথ, বলরাম, শুভ্রদাকে বসানোর পরে একটি বিশেষ পুজো করা হয়। সেই পুজো দামোদর পুজো নামে খ্যাত।
Mahesh Rath Yatra: নাম দিয়েছিলেন স্বয়ং শ্রী চৈতন্যদেব, মাহেশের রথের বিশেষত্ব কী জানেন? অধিকারী আর বসু পরিবারের যৌথ সিদ্ধান্তে বদলে ফেলা হয় ১৪১ বছর আগে
