অন্যদিকে CJP-ও ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থেকে সরে আসতে নারাজ। এই পরিস্থিতিতে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে নিয়ে মানুষের আগ্রহও বেড়েছে। তাঁর রাজনৈতিক জীবন, শিক্ষাগত যোগ্যতা থেকে শুরু করে আয়-সম্পত্তি—সবই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। ছাত্র রাজনীতি থেকে রাজনৈতিক জীবন শুরু করা ধর্মেন্দ্র প্রধান বর্তমানে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক।
News18 Hindi-র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধর্মেন্দ্র প্রধানের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৬.৯২ কোটি টাকা ৷
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ঘোষিত মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৬.৯২ কোটি টাকা । ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের আয়ের হিসেব অনুযায়ী দেখা যায়, আয়ের দিক থেকে তাঁর স্ত্রী অনেকটাই এগিয়ে। ধর্মেন্দ্র প্রধানের বার্ষিক আয় ১২.৭৫ লক্ষ টাকা, যেখানে তাঁর স্ত্রীর বার্ষিক আয় ৪৯.৯২ লক্ষ টাকা। ঋণও রয়েছে, আবার আত্মীয়দের ঋণও দিয়েছেন ৷
তিনি পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এবং IDBI ব্যাঙ্ক থেকে মোট ৩১.৩৮ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছেন। তবে শুধু ঋণ নেওয়াই নয়, আত্মীয়দেরও ব্যক্তিগত ঋণ দিয়েছেন তিনি। নিজের স্ত্রীকে ১০ লক্ষ টাকা, বাবাকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আরও কয়েকজন আত্মীয়কেও ব্যক্তিগত ঋণ দিয়েছেন।
ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং তাঁর পরিবার তাঁদের আয়ের একটি বড় অংশ নিরাপদ আর্থিক প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছেন।
ব্যাঙ্ক, FD ও PPF-এ মোট জমা রয়েছে প্রায় ২.৪৭ কোটি টাকা।
মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ রয়েছে ৮০.৪০ লক্ষ টাকা ।
LIC এবং অন্যান্য বিমা পলিসিতে বিনিয়োগের মূল্য প্রায় ৬৭.৭২ লক্ষ টাকা ।
স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রেও ধর্মেন্দ্র প্রধানের পোর্টফোলিও যথেষ্ট শক্তিশালী।
ওড়িশায় ১২ লক্ষ টাকা মূল্যের কৃষিজমি রয়েছে।
২০.৫০ লক্ষ টাকা মূল্যের অকৃষি জমিও রয়েছে।
এছাড়া তাঁর এবং তাঁর স্ত্রীর নামে গাজিয়াবাদ ও ভুবনেশ্বরে প্রায় ১.৯৮ কোটি টাকার মূল্যের বাড়ি রয়েছে।
ধর্মেন্দ্র প্রধানের কাছে রয়েছে ২০০ গ্রাম সোনা, , ২.৫ কেজি রুপো ৷ একটি ২০১১ মডেলের Honda City গাড়ি ৷ অন্যদিকে তাঁর স্ত্রীর কাছে রয়েছে ৫০০ গ্রাম সোনা, ১০ কেজি রুপো ৷ কয়েকটি বাণিজ্যিক (কমার্শিয়াল) যানবাহন। এই সমস্ত তথ্য ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় ধর্মেন্দ্র প্রধানের জমা দেওয়া নির্বাচনী হলফনামার ভিত্তিতে প্রকাশিত।