Pralhad Joshi : ধর্মেন্দ্র প্রধানের জায়গায় এবার শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন প্রহ্লাদ জোশি। তাঁকে শিক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব নিতে বলেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আজই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস আন্দোলনের জেরে ইস্তফা দিতে হয়েছে মোদির মন্ত্রিসভার সদস্যকে। সন্ধ্যেতেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি। এরপরই শিক্ষামন্ত্রকের দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে জোশিকে। তবে নিজের অন্য় বাকি দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি এই পদে থাকবেন জোশি।
এদিনই দুপুরে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ছাত্র আন্দোলনের ব্যাপ্তি যেভাবে ক্রমশ বাড়ছিল, তাতে খানিকটা চাপের মুখেই নতি স্বীকার করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর ককরোচ জনতা পার্টির তরফে বলা হয়েছে, ‘আমরা করে দেখিয়েছি। গণতন্ত্রের জয় হয়েছে।’ ২ মিনিটের নীরবতাও পালন করা হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির তরফে।
সোশ্যাল পোস্টে কী লিখেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
এদিন পদত্যাগের সময় মামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেখানে তিনি বলেন, ”এটা আমার দৃঢ় সংকল্প, আমি যেন দেশের যুব প্রজন্মের শক্তিকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে না দিই। কখনোই চাইব না, ভারত-বিরোধী শক্তি যেন যন্তর-মন্তর বা দেশের এই পরিস্থিতির সুযোগ না নেয়। আমি চাই, দেশের ঐক্য যেন অক্ষুন্ন থাকে।”
শিক্ষামন্ত্রীর নিয়ে ইস্তফা কী বার্তা মোদির মন্ত্রীর
এদিন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রীর ইস্তফার পরই মুখ খোলেন মোদির মন্ত্রিসভার এই হেভিওয়েট মিনিস্টার। ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সমর্থন করে তিনি বলেন, ”আপনি সত্যিকারের নেতার মতো নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিগত বছরগুলি ধরে আপনার অবিরাম গণ পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।”
এদিনই যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিল ককরোচ জনতা পার্টি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা এবং কেন্দ্রের তরফে আন্দোলনকারী ও আয়োজকদের বিরুদ্ধে রুজু হওয়া এফআইআর প্রত্যাহার করে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর ৪৯ দিনের অবস্থান কর্মসূচি থেকে সরে এল CJP।
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিদল এবং সরকারের তরফে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের তিন দফায় আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত। আলোচনা শেষে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সিজেপি-র প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, সদিচ্ছার নিদর্শন হিসেবেই এই আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে। সংগঠন আশা করছে যে, সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্মত শর্ত বাস্তবায়ন করবে।