Last Updated:
কেন্দ্রীয় সরকার প্রথমে আন্দোলনকারীদের জানিয়েছিল, তারা ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার বিষয়টি বিবেচনা করছে৷ শনিবার আচমকাই পদত্যাগ করেন তিনি৷
আন্দোলনরত ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়ে গতকালই শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান৷ আপাতত শিক্ষামন্ত্রকের দায়িত্ব পেয়েছেন প্রহ্লাদ যোশী৷ ইস্তফা দেওয়ার পর একটি বিবৃতিও প্রকাশ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান৷ সেখানে তিনি জানান, যুবশক্তিকেই দেশের আসল শক্তি হিসেবে মনে করেন তিনি৷
গত একমাসেরও বেশি সময় ধরে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সরব হয়েছিলেন যন্তর মন্তরের আন্দোলনকারীরা৷ ধীরে ধীরে সেই আন্দোলন গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে৷ ফলে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ইস্তফা দেওয়ার হলে এত দেরি কেন করলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান?
এই পরিস্থিতিতে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পাশে দাঁড়িয়ে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গী দাবি করেছেন, আন্দোলন শুরু হওয়ার পর প্রথম দিন থেকেই পদত্যাগ করতে তৈরি ছিলেন প্রধান৷ কিন্তু বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বই তখন তাঁর প্রস্তাবে রাজি হননি৷
মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, তিনি বহু বছর ধরে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে চেনেন৷ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে অত্যন্ত সৎ এবং নিজের কাজের প্রতি দায়বন্ধ বলেই দাবি করেছেন বিজয়বর্গীয়৷ মধ্যপ্রদেশের বিজেপি নেতা বলেন, ‘আন্দোলনের শুরু হওয়ার পর প্রথম দিনই ধর্মেন্দ্র প্রধান দলের সভাপতিকে বলেছিলেন, আপনারা মনে করলে আমি পদত্যাগ করতে তৈরি৷ যদিও দলের সভাপতি তখন সেই প্রস্তাবে রাজি হননি৷ কিন্তু পরিস্থিতি এমন পর্যায় পৌঁছয় যে শেষ পর্যন্ত দল সিদ্ধান্ত নেয় যে ওনাকে পদত্যাগ করতে হবে৷ এমন নয় যে উনি এক মুহূর্তের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷’
ধর্মেন্দ্র প্রধান যেভাবে দলের নির্দেশ মেনে ইস্তফা দিয়েছেন, সেটাই একজন অনুগত দলীয় কর্মীর গুণ বলেও দাবি করেছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়৷ একই সঙ্গে এই ইস্যুতে বিরোধীদেরও নিশানা করেছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়৷ তাঁর দাবি ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেওয়ার ফলে বিদেশী শক্তি দেশে অস্থিরতা তৈরি করার যে চক্রান্ত করেছিল তা রুখে দেওয়া গিয়েছে৷
Kolkata,West Bengal
