কলকাতা: পিতৃহারা হলেন, অভিনেত্রী সাংসদ শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। সোশ্যাল মিডিয়াতে এই মনখারাপ করা খবর শেয়ার করে নেন তিনি। অভিনেত্রীর মা আগেই প্রয়াত হয়েছেন, আর এবার বাবাকে হারালেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় শতাব্দী রায় লিখেছেন, “…..বাবাও চলে গেল” – এই ভারী সত্যটি মেনে নেওয়ার মতো ভাষা আমার জানা নেই। আজ এক যুগের অবসান হল। হয়তো মা ও বাবার সেই অনন্ত প্রেমের টান আবার এক করে দিল তাঁদের। পরজন্মে আবার আমার বাবা মা হয়েই এসো..’। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই অভিনেত্রী সাংসদকে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। অনেকেই লিখেছেন, তাঁরা সবাই এই কঠিন সময়ে অভিনেত্রীর পাশে রয়েছেন। অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী দত্ত লিখেছেন, ‘মনখারাপ হয়ে গেল, কাকু ভাল থাকবেন।’
কাছের মানুষকে হারালেন শতাব্দী রায়
শতাব্দীর খুব কাছের ছিলেন বাবা-মা। স্বামী, সন্তান থাকলেও, অনেকটা সময়েই বাবা মায়ের সঙ্গে কাটাতেন তিনি। কিছুদিন আগেই মা-কে হারিয়েছেন শতাব্দী রায়। আর এবার বাবাকেও হারালেন তিনি। শতাব্দী রায়ের সঙ্গেই তাঁর বাবা থাকতেন। মৃত্যুকালে অভিনেত্রীর বাবার বয়স হয়েছিল, ৮৭ বছর। কিন্তু অভিনেত্রী জানাচ্ছেন, তাঁর বাবার তেমন কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল না। মাত্র ১৫ দিনের অসুস্থতাতেই প্রয়াত হয়েছেন অভিনেত্রীর বাবা। হঠাৎ সোডিয়াম পটাশিয়ামের মাত্রা কমে গিয়েছিল তাঁর। সেই কারণেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। সেই সময়ে যাবতীয় পরীক্ষা করার পরে জানা যায়, শৈলেন রায়ের ফুসফুসে ক্যানসার। রোগ এতটাই বাড়াবাড়ি হয়ে গিয়েছিল যে, কিছুই করা গেল না। ১৫ দিনের মধ্যেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, শৈলেন রায়।
শতাব্দী রায়ের রাজনৈতিক অবস্থান
সদ্যই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সঙ্গে সাক্ষাৎ তৃণমূলত্যাগী শতাব্দী রায়ের (Satabdi Roy)। নির্বাচনের রেজাল্ট বেরনোর পরেই, তৃণমূল ছেড়ে NCPI-তে গিয়েছিলেন শতাব্দী রায়। বৈঠক থেকে বেরিয়ে, শতাব্দী রায় বলছিলেন, ‘আমাদের অবস্থান নিয়ে কথা বললাম। কে কী বলছেন, কে কি চাইছেন, সেটা নিয়ে কথা বললাম। আর আমার সাংসদ এলাকা নিয়েও কিছু কথা ছিল। সেই সমস্ত ভাবনাগুলোর কথা বলেছি। অনেক বড় পরিকল্পনা রয়েছে, সেগুলো বলেছি। সমস্ত কিছু ঠিকঠাক হলে, অবশ্যই প্রকাশ্যে আনব। উনি সমস্ত কথা মন দিয়ে শুনেছেন, জিজ্ঞাসা করেছেন। এখন পশ্চিমবঙ্গের কী অবস্থা, আগে কী দেখেছি, এখন কী দেখছি… এই সমস্তই জানতে চেয়েছেন।’