Last Updated:
নেপালে ভয়াবহ পাহাড় ধসের দৃশ্য ঘিরে চাঞ্চল্য। চোখের সামনে পাহাড়ের বড় অংশ ধসে গিয়ে পড়ল কালীগণ্ডকী নদীতে। মুহূর্তের মধ্যে নদীর গতিপথের পাশে তৈরি হয় ধুলোর মেঘ, ধসে পড়া মাটি-পাথরে বদলে যায় গোটা এলাকার চেহারা।
আবারও ধসে বিপর্যস্ত নেপাল। এক টানা বৃষ্টিতে এমনিতেই কালীগন্ডকী নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের বিশাল অংশ কার্যত ধসে নদীতে মিশে যায়। আর এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। সোশাল মিডিয়ায় মুহূর্তে এই ঘটনা সামনে আসায় নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে এলাকায়। এমনিতেই গত রবিবার ধসের ফলে এখনও পর্যন্ত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ ১৪ জন। এর মাঝেই এই ভয়াবহ ভিডিও সামনে আসায় ফের আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
সোশাল মিডিয়ায় এই ভিডিও সামনে আসার পরে এই ভয়াবহতার চিত্র সামনে এসেছে। এই ভিডিও-তেই দেখা যাচ্ছে, পাহাড়ের একাংশ হঠাৎ করেই ধসে গিয়ে নীচে নেমে আসছে। আশেপাশে মানুষদের আর্ত চিৎকার শোনা যায়।
গত ২৬ অগাস্ট নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যায় নেপালের বহু এলাকা। বাড়ি-ঘর-ব্রিজ সব কিছুই তছনছ হয়ে যায়। মানাং, মায়গিরি এই জায়গাগুলি সবথেকে বেশি বিধ্বস্ত।
প্রসঙ্গত, ফের প্রকৃতির রোষে নেপাল। এবার তুষার ধসে ফের বিধ্বস্ত নেপাল। হিমালয়ের কোলে থাকা এই দেশের উপর থেকে প্রকৃতির রোষ যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। রবিবার, পশ্চিম নেপালের হিমলাং হিমালের বেস ক্যাম্পে তুষার ধসে ১০ জন নিখোঁজের খবর পাওয়া গিয়েছে। তুষার ধসের পাশাপাশি এক নাগাড়ে বৃষ্টি এবং ভারী তুষারপাতের ফলে ফের ভূমিধস এবং বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ওই বেস ক্যাম্প থেকেই অভিযানকারী সংস্থার পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, প্রায় ১০ জন এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন।
এই অভিযানের উদ্যোক্তা মিংমা গাইলজে শেরপা নিশ্চিত করেছেন তার দলের দুইজন সদস্য নিখোঁজ।এই প্রসঙ্গে তিনি এএনআই-কে জানান, “রবিবার সকালে তুষার ধস নামে।”
