Last Updated:
Flydubai বিমানের ককপিটের ভিতরের একটি ভয়াবহ ভিডিও ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ভাইরাল হওয়া ফুটেজে ককপিটের মেঝেতে এক পাইলটকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর শরীর ও আশপাশে রক্তের দাগও দেখা যায়। জানা যাচ্ছে, দুবাই থেকে তেল আভিভগামী Flydubai Flight FZ1073-এ দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষের পর বিমানটিকে সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করানো হয়।
ফ্লাইদুবাই বিমানের ককপিটের ভিতরের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, বিমানে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ছিলেন। দুই পাইলটের মধ্যে তুমুল হাতাহাতির পর বিমানটিকে সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করাতে হয় বলে জানা যাচ্ছে।
ওই ভিডিওতে দেখা যায় মারামারির পর ককপিটের ভিতরের বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি দেখা যায়। আর এই চাঞ্চল্যকর ওই ফুটেজে দুই পাইলটকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখা যায়। তাঁদের মধ্যে একজনকে ককপিটের মেঝেতে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে, তাঁর শরীর রক্তে ভেসে যাচ্ছে। ককপিটের ভিতরে বেশ কয়েকজনকে পাইলটদের ঘিরে থাকতে দেখা যায়। ককপিটের দেওয়ালজুড়েও রক্তের দাগ স্পষ্ট। বিমানের ভিতরের এই দৃশ্য কার্যত শিউরে ওঠার মতো। ফ্লাইদুবাইয়ের FZ1073 বিমানটি দুবাই থেকে ইজরায়েলের তেল আভিভের দিকে যাচ্ছিল। বিমানে ১০০-রও বেশি ইজরায়েলি নাগরিক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বিমানটি কেন জরুরি অবতরণ করল, সেই ঘটনাক্রম এখনও তদন্তাধীন। ইজরায়েলের Channel N12-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিরাপত্তা সংক্রান্ত মূল্যায়ন এবং যাত্রীদের বয়ানের ভিত্তিতে ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা হিসেবে বিবেচনা করছে।
জরুরি সংকেত ঘিরে বড়সড় নিরাপত্তা তৎপরতা
বিমানটি আকাশে থাকার সময় আন্তর্জাতিক ট্রান্সপন্ডারে 7500 স্কোয়াক কোড সক্রিয় হয়। এই কোড সাধারণত বিমান ছিনতাই বা অন্য কোনও বেআইনি হস্তক্ষেপের সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর পরেই জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে ইজরায়েলি বিমানবাহিনী যুদ্ধবিমান পাঠায়।
তবে ঘটনার প্রাথমিক পর্যায়ে ইজরায়েলি আধিকারিক এবং সংবাদমাধ্যমের তরফে বিমান ছিনতাইয়ের সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। জরুরি স্কোয়াক কোড চালু হওয়া এবং পরে বিমানটির গতিপথ পরিবর্তনের ঘটনাকে ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে হওয়া একটি হিংসাত্মক ‘হাতাহাতি’ বা শারীরিক সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল।
