Last Updated:
FlyDubai Case: ককপিটে ক্যাপ্টেনকে হামলা, বিমান ধ্বংসের ইচ্ছার কথা স্বীকার কো-পাইলটের।
কলকাতা: ফ্লাইদুবাইয়ের কো-পাইলট হামাম আল-হামামি বিমান চালানোর সময় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে হামলা করে ১৭০ জনের বেশি যাত্রী থাকা বিমানটি ইচ্ছাকৃতভাবে ভেঙে ফেলতে চেয়েছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদে হামামি স্বীকার করেন, তিনি বিমানটি ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন এবং মৃত্যুকে তিনি ভয় পান না।
সৌদি সরকারের এক কর্মকর্তা, যিনি হামামির জিজ্ঞাসাবাদ সম্পর্কে অবহিত, জানিয়েছেন, কো-পাইলট নিজের পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন। এই তথ্য সামনে আসার পর প্রশ্ন উঠেছে, উগ্রপন্থী ওয়েবসাইটে হামামির আগ্রহের বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পরও কীভাবে তিনি ফের ককপিটে কাজের সুযোগ পেলেন এবং আন্তর্জাতিক রুটে বিমান চালানোর দায়িত্ব পেলেন।
২০২২ সালের জুনে মুছে ফেলা একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে হামামি বিমান চলাচল ও প্রশিক্ষণের প্রতি তাঁর আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন। প্রথম একা বিমান চালানো কিংবা যাত্রী নিয়ে প্রথমবার বিমান অবতরণের অভিজ্ঞতার কথাও সেখানে উল্লেখ করেছিলেন তিনি।
তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, কী কারণে তাঁর এই মানসিক পরিবর্তন ঘটল। পাশাপাশি, ফ্লাইদুবাইয়ে কীভাবে তিনি চাকরি পেলেন, তাও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
হামামির প্রথম বিমান সংস্থা ছিল রাষ্ট্রায়ত্ত ওমান এয়ার। উগ্রপন্থী ওয়েবসাইট দেখার বিষয়টি জানার পর তাঁকে বিমান চালানো থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। পরে তাঁকে ডির্যাডিকালাইজেশন বা উগ্রপন্থা থেকে দূরে রাখার একটি কর্মসূচিতে পাঠানো হয় এবং ডেস্কের কাজে নিয়োগ করা হয়। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে তিনি নতুন চাকরি পান।
