Last Updated:
West Bengal Assembly Election 2026: ভোট মিটলেও স্বস্তি নেই! জলপাইগুড়ির স্ট্রংরুমে বন্দি ইভিএম আগলাতে দিনরাত এক করছেন প্রার্থীরা। একদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাহারা, অন্যদিকে এলইডি স্ক্রিনে কড়া নজরদারি।
জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দে: গা ছমছম কী হয় কী হয়! কখনও মজা কখনও বা ভয়…. ভাবছেন কী ব্যাপার? আসলে বাক্স বন্দি ভাগ্য! স্ট্রংরুমে থাকা সেই বন্দি ভাগ্য দেখতে ফিরে ফিরে আসছেন প্রার্থীরা। সব ঠিক তো? এই ভাবনাতেই স্ট্রংরুমের সিসিটিভি ক্যামেরাকেই পাখির চোখ প্রার্থীদের। গা ছমছম করা অপেক্ষা, মাঝে মাঝে উত্তেজনা, আবার কখনও অজানা আশঙ্কা!
ভোট মিটে গেলেও এখনও বন্দি প্রার্থীদের ভাগ্য, শক্তপোক্ত স্ট্রংরুমের ভিতরে। আর সেই ‘বাক্সবন্দি ভাগ্য’-কেই চোখে চোখে রাখছেন প্রার্থীরা নিজে ও তাঁদের কর্মীরা। জলপাইগুড়ির উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে তৈরি করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার স্ট্রংরুম। ভিতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী, বাইরে রাজ্য পুলিশবাহিনীর নজরদারি…দুই স্তরের নিরাপত্তায় ঘেরা ইভিএম। তার উপর সিসিটিভি ক্যামেরা এবং এলইডি স্ক্রিনে ২৪ ঘণ্টা নজর রাখছেন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
জলপাইগুড়ি জেলার সাতটি বিধানসভার মধ্যে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, রাজগঞ্জ, জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ি ও ধুপগুড়ির ইভিএম রাখা হয়েছে এই ক্যাম্পাসে। মালবাজার ও নাগরাকাটার ইভিএম রাখা হয়েছে মালবাজারে। আগামী ৪ তারিখেই হবে সেই বহু প্রতীক্ষিত গণনা। স্ট্রংরুম ঘিরে বিশেষ তৎপরতা চোখে পড়ছে মূলত তৃণমূল ও বিজেপির শিবিরে। যদিও সিপিএমের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। দুই দলই নিজেদের কর্মীদের দিয়ে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে, আর প্রার্থীরাও মাঝেমধ্যে এসে খোঁজ নিচ্ছেন পরিস্থিতির।
ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিজেপি প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায় জানান, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের উপর তাঁদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে, তবে সতর্ক থাকাও জরুরি। অন্যদিকে ময়নাগুড়ির তৃণমূল প্রার্থী রামমোহন রায় বলেন, “তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোদ নির্দেশ দিয়েছেন নজরদারি বাড়ানোর, তাই নিজেরাও নিয়মিত আসছি। ভরসা নেই কারওর ওপর।” তাই ফল ঘোষণার আগে পর্যন্ত স্ট্রংরুম স্ট্রং ভাবে পাহারায় প্রার্থীদের প্রতিনিধিরা। কার ভাগ্যে কী লেখা, তার উত্তর লুকিয়ে সেই বন্ধ দরজার ওপারেই!
Jalpaiguri,Jalpaiguri,West Bengal