Last Updated:
Nadia News: আইপিএল বেটিং গেমের নেশা পৌঁছাল থানা পর্যন্ত, অভিযোগ দায়ের দুই পরিবারের
নদিয়া : স্বামী সিভিক ভলেন্টিয়ার আইপিএলে আসক্ত, আপত্তি জানানোয় পারিবারিক অশান্তি, লোকজনসহ সাতসকালে বাড়িতে এসে ফেলে মারধরের অভিযোগ স্ত্রী এবং তার পরিবারের লোকজনদের।
আইপিএল বেটিং গেম খেলাকে কেন্দ্র করে চরম অশান্তি দুই পরিবারের মধ্যে। নদিয়ার শান্তিপুরের বেলঘরিয়া এলাকায় পারিবারিক অশান্তিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য। অভিযুক্ত নীলরতন সিকদার, পেশায় একজন সিভিক ভলেন্টিয়ার, বর্তমানে ফুলিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত। তার স্ত্রীর অভিযোগ, মোবাইলে আইপিএল বেটিংয়ের নেশা থেকেই তার পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তির সূত্রপাত।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেটিং সংক্রান্ত আর্থিক ও মানসিক চাপের জেরে প্রায়ই বাড়িতে বিবাদ লেগেই থাকত। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল আকার ধারণ করে। গৃহবধূ সুস্মিতা বিশ্বাসের দাবি, গত দুই মাস আগে তাঁর বাবার মৃত্যু হলেও সেই শোকের মধ্যেই স্বামীর সঙ্গে অশান্তি আরও বেড়ে যায়। তাঁদের ছয় বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে, যার উপরও এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।
শনিবার রাতে পরিস্থিতি চরমে পৌঁছায়। অভিযোগ, এদিন সকালে নীলরতন সিকদার গৃহবধূকে উদ্দেশ্য করে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের নিয়েও কটূক্তি করেন। গৃহবধূর দাবি, এমনকি এই কারণেই এদিন তাদের বাড়িতে এসে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনেরা মারধরও করে যায় তাকে সহ তার পরিবারের সদস্যদের।
অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টা অভিযোগও দায়ের হয়েছে। শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গৃহবধূ এবং তাঁর পরিবারের লোকজনই প্রথমে আক্রমণ করেন। তারা মেডিকেল রিপোর্ট সহ ফুলিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন।
এছাড়াও, সুস্মিতা বিশ্বাসের অভিযোগ, তার দিদি এবং মাকেও মারধর করা হয়েছে শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে। বিচার চাইতেই শান্তিপুর থানায় আসা। তবে পাল্টা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন বিষয়টিকে লঘু করতে তাদের নিজ নিজ প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যে অভিযোগ করা হয়েছে, স্থানীয় মানুষজন জানেন। শুধু এদিন নয় দিনের পর দিন নিয়মিত অত্যাচার করা হয় তবে পরিবারের সম্মান চিন্তা করেই এতদিন চুপ করে থাকা কিন্তু সহ্যের সীমা রেখা লংঘন করেছে বৃদ্ধা মা অন্যত্র বিবাহ হওয়া দিদি সবাইকে ফেলে পিটিয়েছে ওরা।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা শুরু করেছে। তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে বলেই অনুমান।
Mainak Debnath
Kolkata,West Bengal
