Last Updated:
Narendra Modi and Giorgia Meloni: বুধবার ভিলা ডোরিয়া পামফিলিতে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনির সঙ্গে বৈঠক মোদির। এদিন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনিকে পার্লে সংস্থার মেলোডি টফি উপহার দেন মোদি। পার্লে সংস্থার ইতিহাস কিন্তু স্বাধীনতার পূর্বের
নয়াদিল্লি: পাঁচ দিনের বিদেশ সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, সংযুক্ত আরব আমিরাশাহি ঘুরে তিনি রোমে। রোমে পা রাখতেই প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। মোদির সঙ্গে সেলফি তুলে তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতেও শেয়ার করেন। ক্যাপশনে নরেন্দ্র মোদিকে ‘বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেন মেলোনি। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির হাতে ভারতের জনপ্রিয় ‘মেলোডি’ টফি তুলে দেন নরেন্দ্র মোদি। রোমে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের ফাঁকে এই মজাদার মুহূর্তের ভিডিও নেটদুনিয়ায় ভাইরাল।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপহার ভারতকে নস্টালজিয়ায় ভাসাল। আবার চর্চায় উঠে এল বহু প্রাচীন ‘পার্লে’ সংস্থা! বিস্কুটের কথা উঠলেই যে নামটা প্রথম মাথায় আসে, সেটা হল ‘পার্লে-জি’। ‘পার্লে’ নানা প্রডাক্ট তৈরি করে, যার মধ্যে রয়েছে এই ‘মেলোডি’ টফিও। ‘পার্লে’-র ইতিহাস স্বাধীনতারও আগের। যদিও আজ ‘পার্লে-জি’ বিস্কুটের জন্যই বেশি পরিচিত ‘পার্লে’, কিন্তু এই সংস্থার যাত্রা শুরু হয়েছিল ক্যান্ডি দিয়ে। ১৯৮৩ সালে সংস্থাটি তাদের চকোলেট ‘মেলোডি টফি’ বাজারে আনে।
সেই সময়ে ‘ক্যাডেবেরি’-র এক্লেয়ার্স-সহ একাধিক চকোলেট টফি-ব্র্যান্ড বাজার কাঁপাচ্ছে। সেই দুরন্ত প্রতিযোগিতায় টক্কর দিতেই ‘পার্লে’ নিয়ে আসল ‘মেলোডি’। বাইরে ক্যারামেলের আস্তরণ, ভিতরে চকোলেট ভর্তি! এক কামরেই মন খুশ! আজও বহু মানুষের পছন্দের তালিকায় এই টফি। এদের বিজ্ঞাপন-ও ছিল সুপারহিট।
আট থেকে আশি, পার্লে-জি নামটার সঙ্গে পরিচিত সবাই। এটা শুধু বিস্কুট নয়, ইমোশন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিস্কুটের দামে বদল এসেছে, বদলেছে প্যাকেজিং, কিন্তু স্বাদ সেই আগের মতোই। পার্লে প্রথমে ‘হাউস অব পার্লে’ নামে যাত্রা শুরু করে। ১৯২৯ সালে গুজরাতের ভালসাদের কাছে পারডির বাসিন্দা মোহনলাল দয়াল চৌহান তাঁর পরিবারের আরও ১২ জন সদস্যকে নিয়ে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।
বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, চৌহান পেশায় একজন দর্জি ছিলেন। তবে জীবনে বড় কিছু করার স্বপ্ন নিয়ে তিনি মুম্বইয়ে চলে আসেন। সেই সময় ভারত স্বাধীনতার লড়াইয়ে ব্যস্ত এবং দেশজুড়ে স্বদেশি আন্দোলনের জোয়ার। সেই আবহেই মোহনলাল দয়াল মুম্বইয়ের ভিলে পার্লের একটি পুরনো কারখানায় কনফেকশনারি ইউনিট গড়ে তোলেন। সংস্থার প্রথম পণ্য ছিল ‘রেঞ্জ ক্যান্ডি’, যা পরে ‘পার্লে ক্যান্ডি’ নামে পরিচিতি পায়। মোহনলাল দয়াল জার্মানি থেকে কনফেকশনারি নিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। প্রথম দিকে সংস্থার ক্যান্ডি জনপ্রিয় হয়। মোহনলালের মাথায় তখন ব্যবসা বিস্তারের স্বপ্ন। ১০ বছর পর ১৯৩৮ সালে বাজারে বিস্কুট আনল ‘পার্লে’। নাম ছিল ‘পার্লে-গ্লোকো’। স্বাধীনতার আগে ‘পার্লে-জি’ পরিচিত ছিল ‘গ্লুকো’ বিস্কুট নামে। ‘পার্লে জি’-র জনপ্রিয়তা পেতে সময় লাগেনি।
Kolkata,West Bengal
