Last Updated:
বাঙালি দর্শকেরা জানেন, ‘অপরাজিত’-র আগেও এসেছে এই জয়। তাও প্রথম ছবিতে। ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ ছবির মতো এত নির্মল মজার, স্বতঃস্ফূর্ত ছবি বাঙালি দর্শক বহুদিন দেখেননি। ফুরফুরে রসিকতার মোড়কে এত বড় বাস্তব সমস্যা ফুটিয়ে তুলতে পেরেছিলেন অনীক। প্রথম ছবিতেই দর্শক থেকে সমালোচকদের প্রশংসা, তারপর একে একে বানালেন ‘ আশ্চর্য প্রদীপ’, ‘মেঘনাদ বধ রহস্য’, ‘বরুণবাবুর বন্ধু’, ‘অপরাজিত’।
কলকাতা: ডাবিংয়ে ছিলেন। পরিচালকের প্রয়াণের খবর পেয়েই হাসপাতালে দৌড়ে এসেছিলেন জীতু কমল। কথা বলেননি কারও সঙ্গে। কথা বলার মতো অবস্থাতেও ছিলেন না। জীতু কমলকে আজ আপামর বাঙালি চেনেন ‘অপরাজিত’-র জন্য। অনীক দত্তের পরিচালনায় সে ছবিতে জীতুকে দেখে চমকে উঠেছিলেন সবাই। এ তো অবিকল সত্যজিৎ রায়! তখনও তিনি ছোট পর্দার নায়ক। বড়পর্দায় কাজ সেই প্রথম। ‘অপরাজিত’ মুক্তি পাওয়ার পরে বাঙালি দর্শক প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন জীতুকে। ছবিতে জীতু-অনীক যুগলবন্দী বাস্তবেই ছিল ‘অপরাজিত’। বছরের সবচেয়ে হিট ছবি কে.জি.এফ ২ কেও আই.এম.ডি.বি রেটিং-এ পিছিয়ে দিয়েছিল অপরাজিত। জীতু জানিয়েছিলেন, এই জয় অনীক দত্ত এবং রূপটান শিল্পী সোমনাথ কুণ্ডুর। সেই পরিচালকের প্রয়াণে কী-ই বা লিখতেন জীতু!
(মূল পোস্টের বানান অপরিবর্তিত) বৃহস্পতিবার সকালে আরেকটি পোস্ট করেন তিনি, লেখেন, ‘শুয়ে আছে সেনা লাশকাটা ঘরে’…
ইতিমধ্যেই পরিচালকের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে৷ আজই সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখতে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে আসছেন৷ তারপরেই বেরিয়ে আসবে পরিচালকের মৃত্যুর আসল কারণ। তাঁর কন্যা ঐশী সুইডেন থেকে কলকাতায় আসার পরই শেষকৃত্য হবে। তবে অনিক দত্তের মেয়ে ঐশী দত্তের সুইডেন থেকে ফিরতে যদি দেরি হয় কিংবা সন্ধ্যা হয়ে যায় সেক্ষেত্রে আজকে শেষকৃত্য হবে না। অনীক দত্তের স্ত্রী জানিয়েছেন, অনীক দত্তের শেষকৃত্য আগামীকাল সম্পন্ন হবে।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
