Ancient Shiva Temple: সাঁইথিয়ার কাছেই ১১০ ফুট উঁচু জাগ্রত শিব মন্দির, ঘুরে আসুন শ্রাবণ শেষ হওয়ার আগেই! সহজ রুট কোনটা? দেখে নিন


Last Updated:

Ancient Shiva Temple: ময়ূরাক্ষী নদীর তীরে অবস্থিত শতবর্ষ প্রাচীন কলেশ্বর ধাম। পর্বত ঋষির তপস্যা থেকে কলেশ ঘোষের সিদ্ধিলাভ, নানা বিশ্বাস রয়েছে এই শিব মন্দিরকে কেন্দ্র করে। এই ১১০ ফুটের বিশাল শিব মন্দির থেকে ঘুরে আসুন শ্রাবণ সোমবারেই। কলকাতা থেকে খুব সহজে পৌঁছে যাওয়া যায় এই মন্দিরে। জেনে নিন সহজ রুট।

+

বীরভুমে অবস্থিত ১১০ ফুটের কলেশ্বর শিব মন্দির

বীরভূম, সৌভিক রায়: বীরভূমের এই জায়গায় পড়তে পড়তে লুকিয়ে রয়েছে ধর্মীয় রহস্য। সেই ধর্মীয় রসহ্যভেদে কতই না মহাপুরুষ থেকে সাধকরা কত স্থানে পাড়ি দিয়েছিলেন অতীতকালে। বীরভূম জেলার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে যত মন্দির রয়েছে, বিভিন্ন স্থানে সেখানে বিভিন্ন রুপে বিরাজমান তিনি। ঠিক সেই মতন বীরভূম জেলার ময়ূরেশ্বর থানা এলাকার কলেশ্বরে রয়েছে সবুজ প্রকৃতির শান্তিপরিবেশে মহাদেবের মন্দির। বীরভূম জেলার সাঁইথিয়া রেল স্টেশন থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার পূর্বদিকে রয়েছে প্রাচীন কলেশ্বর গ্রাম। সেখানে কলেশ্বর ধাম বা কলেশনাথের মন্দিরে বিরাজমান মহাদেব।

টস্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরভর এই মন্দিরে পুণ্যার্থীদের যাতায়াত লেগেই থাকে। কারণ এখানে মহাদেব অত্যন্ত জাগ্রত। এর পাশাপাশি মন্দিরে সুন্দর পরিবেশ মুগ্ধ করে দূরদূরান্ত থেকে আগত ভক্তদের। মন্দিরের এক সেবায়েতের কাছে জানা যায়, বহুকাল আগে বহু মুনি-ঋষির সাধনক্ষেত্র ছিল এই কলেশ্বর ধাম। এমনকী আরও জানা যায় যে, পর্বত নামে এক ঋষি এখানে দেবী পার্বতীর তপস্যা করেছিলেন। আর সেই সিদ্ধপুরুষের নাম অনুযায়ী এই জায়গার নাম ছিল একসময় পার্বতীপুর। অন্যদিকে চন্দ্রচূড় নামে এক গ্রন্থ থেকে জানা যায়, কলেশ্বরকে মৎস্য দেশের মায়াতীর্থ বলা হয়েছে। পরবর্তীতে এই মন্দিরেই দেবীর সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেন ধানঘড়া গ্রামের কলেশ ঘোষ।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে দিয়েছেন ‘মু-তোড়’ জবাব, ‘সিঁদুরের’ বদলা নিয়়ে কর্মজীবনে ইতি টানলেন নদিয়ার জওয়ান

কলেশ ঘোষ এর কারণে পার্বতীপুর এর নাম পরিবর্তন করে হয় কলেশ্বর। বর্তমানে এই মন্দিরে নিত্যপুজো তো হয়ই। পাশাপাশি, বিভিন্ন তিথিতে বিশেষরিতিতে পুর্জার্চনা হোমযজ্ঞ সহ নানাবিধ অনুষ্ঠানের বন্দোবস্ত করা হয়। বিশেষ করে শ্রাবণ মাসের সোমবারগুলিতে হাজার হাজার পর্যটকদের সমাগম ঘটে। শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার লক্ষ লক্ষ পর্যটকদের সমাগম ঘটে। মন্দিরের সেবায়েত জানান, এই এলাকা ছিল একসময় বেল গাছের জঙ্গলে ঘেরা। তবে সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে স্থানীয় নরপতি রামজীবন রায় মন্দিরটি সংস্কার করেন। তারপর মন্দির নির্মাণে এগিয়ে আসেন মুর্শিদাবাদ জেলার রাজা ধীরেন্দ্রনারায়ণ রায়। মন্দির নির্মাণে কয়েক লক্ষ টাকা খরচ হয়। অবশেষে ১৩৪৭ বঙ্গাব্দের ২৮ মাঘ এই মন্দির পুনরায় নির্মিত হয়। যে মন্দিরের উচ্চতা প্রায় ১১০ ফুট।

আরও পড়ুন: জল্পেশ মন্দিরে অবিরত গোলাপ-গাঁদার বৃষ্টি, মুখ্যমন্ত্রীর উপহারে খুশিতে গদগদ ভোলেনাথের ভক্তরা

আর এই মন্দিরটি জেলার সবচেয়ে বড় শিব মন্দির বলে দাবি করেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা। এই মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে রয়েছে শিবলিঙ্গ ও কংক্রিটের তৈরি বজরংবলীর মূর্তি। তবে এই শিব মন্দির চত্বরেই রয়েছে বিভিন্ন দেব-দেবীর মন্দির। যার মধ্যে রয়েছে কোষ্ঠী পাথরের ষষ্ঠী মূর্তি, রয়েছে শ্যামা মায়ের মন্দির। মন্দির লাগোয়া রয়েছে দেবকুন্ডু, যেখানে শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে ও শিবরাত্রির দিন ভক্তরা সেই কুণ্ডের জলে স্নান করে মহাদেবকে জল ঢেলে মনষ্কামনা পূরণ করেন। এছাড়াও এই মন্দিরে রয়েছে বৈষ্ণবভৈরব ও রুরুভৈরব বা মহাকাল ভৈরব নামেও পরিচিত। যা স্বয়ং বিশ্বকর্মা দ্বারা নির্মিত মন্দিরে বিরাজমান বলেও দাবি করে থাকেন ওই মন্দিরের পুরোহিতরা। এছাড়াও এই মন্দিরের মধ্যে রয়েছে থাকার ব্যবস্থা। স্বল্প টাকার বিনিময়ে আপনি এই মন্দিরে এসে রাত্রিবাস করতে পারেন।

বাংলা খবর/ খবর/লাইফস্টাইল/

Ancient Shiva Temple: সাঁইথিয়ার কাছেই ১১০ ফুট উঁচু জাগ্রত শিব মন্দির, ঘুরে আসুন শ্রাবণ শেষ হওয়ার আগেই! সহজ রুট কোনটা? দেখে নিন

By Admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WordPress Catalog HelFan – Charity and Nonprofit Elementor Template Kit Heli – Minimal Creative Black and White WordPress Theme Helion – Creative Portfolio Elementor Template Kit Helium: WordPress Full Screen Menu Helix – Yoga Club Calendar WordPress Theme Hellix - Modern Architecture & Interior Design WordPress Theme Hello Friday – Elegant Lifestyle Blog Theme Helmets – WordPress Theme for Handyman Helpass – Charity WordPress Theme HelpDesk 3 – The professional Support Solution