নদীপথে পরিদর্শনের সময় সেতুর সম্ভাব্য অবস্থান, দুই প্রান্তের সংযোগ এলাকা, নদীর গতিপ্রকৃতি এবং বিশেষ করে নদীভাঙনের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন বিধায়ক ও প্রশাসনিক কর্তারা। কোথায় সেতুর অ্যাপ্রোচ রোড তৈরি হবে, নদীর স্রোতের প্রভাব কতটা এবং ভবিষ্যতে নির্মাণকাজে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ আসতে পারে, সে বিষয়েও বিস্তারিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকল্পের বাস্তব চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে।
