Last Updated:
লখনউয়ের একটি কোচিং সেন্টার-সহ বাণিজ্যিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আগুন থেকে বাঁচতে প্রথম তলা থেকে ঝাঁপ দেন একাধিক পড়ুয়া, এখনও বেশ কয়েকজন আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
লখনউঃ উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে সোমবার দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং উদ্ধারকাজ চালাতে বড়সড় অভিযান শুরু করে দমকল বাহিনী।
দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকেল প্রায় ৩টা নাগাদ আলিগঞ্জ থানার অন্তর্গত উষা মেহতা মার্গে অবস্থিত একটি কোচিং সেন্টার থেকে আগুন লাগার খবর আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ১৪টি দমকলের ইঞ্জিন, একটি হাইড্রোলিক প্ল্যাটফর্ম গাড়ি-সহ পৌঁছে যায়।
আগুন দ্রুত বাড়িটিকে গ্রাস করলে ধোঁয়া ও আগুনের হাত থেকে বাঁচতে কয়েকজন পড়ুয়া বাড়ির প্রথম তলা থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাস্থলের একাধিক ভিডিওতে আতঙ্কের চিত্র ধরা পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাত থেকে আটজন পড়ুয়া ঝাঁপ দিয়ে নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে পেরেছে। তবে এখনও ২০ থেকে ২৫ জন পড়ুয়া বাড়ির ভিতরে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
এক স্থানীয় বাসিন্দা সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে জানান, “সম্ভবত একটি স্পার্ক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। সাত থেকে আটজন পড়ুয়া ঝাঁপ দিয়ে নিজেদের বাঁচিয়েছে। তবে এখনও ২০ থেকে ২৫ জন ভিতরে আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।”
প্রত্যক্ষদর্শী আমন, এএনআই-কে জানান, “এখানে একটি লাইব্রেরি বা কম্পিউটার কোর্সের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে এসে ভবন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখি। আমরা পাঁচ থেকে ছয়জনকে উদ্ধার করেছি। আগুন লাগার পর একজন বাড়ি থেকে ঝাঁপ দেন এবং তিনি গুরুতর জখম হন। এখনও কয়েকজন ভিতরে আটকে রয়েছেন।”
এদিকে, উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, উদ্ধারকাজ চলছে এবং কতজন পড়ুয়া ভবনের ভিতরে ছিলেন, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, “উদ্ধারকাজ চলছে। আমরা অভিভাবকদের পাশে রয়েছি। কতজন ভিতরে রয়েছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। দমকল কর্মীরা এক্সকাভেটরের সাহায্যে দেওয়াল ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে উদ্ধার ও আগুন নেভানোর কাজ চালাচ্ছেন।” অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। দমকলের উদ্ধার ও আগুন নেভানোর কাজ এখনও চলছে।
Kolkata,West Bengal
