Last Updated:
Ilish Price: নদী ও সমুদ্রে মাছ ধরার সরকারি নিষেধাজ্ঞা আর মাত্র কয়েকদিন পরেই উঠতে চলেছে। রুপোলি ফসলের আশায় বুক বাঁধছিলেন মৎস্যজীবীরা, কিন্তু মরশুমের শুরুতেই সেই আনন্দে জল ঢেলে দিল জোড়া সংকট। স্বাভাবিক দাম বাড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।
কাকদ্বীপ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নবাব মল্লিক: তেল ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে দেখা দিয়েছে শ্রমিক সংকট। ফলে মরশুম শুরুর আগেই মৎস্যজীবীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা যাচ্ছে এবছর। সপ্তাহখানেক পরেই গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেবেন মৎস্যজীবীরা, তার আগেই প্রস্তুতি সারতে গিয়েই মৎস্যজীবীরা এই সমস্যার মধ্যে পড়েছেন। কয়েক হাজার ট্রলার ইতিমধ্যেই সমুদ্রে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছে। প্রস্তুতিপর্ব প্রায় শেষ। কিন্তু তার আগে কপালে চিন্তার ভাঁজ মৎসজীবী ও ট্রলার মালিকদের। কারণ অত্যাধিক হারে তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি। ডিজেলের দাম লিটার প্রতি প্রায় ১০ টাকা বেড়েছে।
বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বেড়েছে প্রায় হাজার টাকা। এই পরিস্থিতিতে এই মরশুমে ট্রলার কীভাবে চালাবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় মৎস্যজীবীরা।এছাড়াও শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। সবমিলিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় সব পক্ষ। প্রায় দু’মাস ধরে নদী ও সমুদ্রে মাছ ধরার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি আছে। এই দু’মাস মাছেদের প্রজননের আদর্শ সময়কাল। তাই কোনও মৎস্যজীবী নদী ও সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারেন না। ১৪ জুন রাত থেকে আবার সব মৎস্যজীবী ইলিশ ও অন্যান্য মাছ ধরতে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দেবে।
এ নিয়ে ট্রলার মালিক দীপঙ্কর দাস বলেন, “গতবছর ব্যবসায় খুব মন্দা গিয়েছিল। ইলিশের দেখা সেভাবে মেলেনি। এ বছর আবার তেল ও গ্যাসের দাম বেড়ে গিয়েছে অনেকটা। তেল ও গ্যাস ছাড়া ট্রলার চালানো সম্ভব নয়। গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরে একটি ট্রলার প্রায় ১০ দিন পর উপকূলে ফেরে। তাই ডিজেলের পাশাপাশি সমুদ্রে রান্না করার জন্য গ্যাসের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু এবছর টাকা দিয়েও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। খুব চিন্তার মধ্যে আছি আমরা। নদী ও সমুদ্রে সেভাবে মাছ পাওয়া না গেলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।”
South Twenty Four Parganas,West Bengal