Last Updated:
করাচির একটি ইংরেজি সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, খাইবার পখতুনখোয়া প্রদেশের মরদানের খোয়াজা গঞ্জ বাজারে অবস্থিত গুরুদ্বারের ভিতরে ঢুকে এই ঘটনা ঘটায় দুষ্কৃতীরা৷
গুরুদ্বারের ভিতরে ঢুকে গুলি করে প্রবীণ শিখ দম্পতিকে খুন৷ এমনই নৃশংস ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানের খাইবার পখতুনখোয়া প্রদেশের একটি গুরুদ্বারে৷ এই ঘটনায় ফের একবার পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে৷
জানা গিয়েছে, মৃত ওই দম্পতির নাম জগন্নাথ এবং আসমা ওয়ান্তি৷ ৭০ বছর বয়সি জগন্নাথ এবং তাঁর স্ত্রী ওই গুরুদ্বারটি দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন৷ অভিযুক্তরা এখনও পলাতক বলেই জানিয়েছে পুলিশ৷
জানা গিয়েছে, ওই গুরুদ্বারটির নিরাপত্তায় একজন পুলিশকর্মীকে মোতায়েন করা হয়েছিল৷ কিন্তু হামলার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না৷ শুধু তাই নয়, ওই গুরুদ্বারের ভিতরে সিসিটিভি ক্যামেরাও লাগানো ছিল৷ কিন্তু তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে ওই সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি কাজ করে না৷
হামলার পর পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ৷ কিন্তু ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা৷ এই ঘটনার পর পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি৷ দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘ বলেন, এই ঘটনায় ফের প্রমাণিত হল যে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ পাকিস্তান সরকার৷
তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার ধারাবাহিক ভাবে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে৷ বিশেষত হিন্দু এবং শিখরা বার বার পাকিস্তানে আক্রান্ত হচ্ছে৷ অথচ ১৯৫০ সালের নেহরু- লিয়াকত চুক্তি অনুযায়ী দুটি দেশই নিজেদের দেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল৷’
শিখদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় শাখা অকাল তখত-এর পক্ষ থেকেও এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে৷ অকাল তখত-এর পক্ষ থেকে এই ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য পাকিস্তান এবং খাইবার পখতুনখোয়া সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে৷ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছেও এই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ এবং সেদেশে বসবাসকারী শিখদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন তিনি৷
Kolkata,West Bengal
