Raina Hospital Fire: নেই জল, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও উধাও! ড্রেনের জলে হাসপাতালের মাঝরাতের আগুন নেভালেন স্থানীয়রা, উঠছে প্রশ্ন


Last Updated:

Raina Hospital Fire: হাসপাতালে আগুন সামলানোর ন্যূনতম প্রস্তুতিটুকুও ছিল না! গভীর রাতে দাউদাউ শিখা দেখে ড্রেনের জল ও বালি ব্যবহার করে বড় বিপদ সামাল দিলেন স্থানীয়রা। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম ক্ষোভ।

রায়না হাসপাতাল আগুন
রায়না হাসপাতাল আগুন

রায়না, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: সোমবার গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমানের রায়না-২ ব্লকের মাধবডিহি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আচমকাই আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। গভীর রাতে হাসপাতালের একটি অংশ থেকে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা বের হতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ছুটে আসেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মাধবডিহি থানার পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয়দের যৌথ উদ্যোগে ড্রেন থেকে জল তুলে এবং বালি ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ফলে বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা প্রভাস ক্ষেত্রপাল বলেন, “খবর পেয়েই আমি ঘটনাস্থলে চলে আসি। এসে দেখি আগুন দাউদাউ করে জ্বলছে। এখানে আগুন নেভানোর মতো কোনও ব্যবস্থা ছিল না। না জল ছিল, না পাইপলাইন। আমরা ড্রেন থেকে জল তুলে, বালি দিয়ে কোনও রকমে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। ঘটনাস্থলে এসে জানতে পারি বিএমওএইচ উপস্থিত নেই। কেন তিনি ছিলেন না, সেটা তদন্ত করে দেখা উচিত।” আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। কীভাবে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এই ঘটনার পর হাসপাতালের পরিকাঠামো, অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, হাসপাতালে পর্যাপ্ত অগ্নি-নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের সময় বিএমওএইচ হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না বলেও অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপি কর্মীরা। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিএমওএইচ বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: ডিজিটাল জনগণনায় নয়া ধাপ! নবান্নে চালু বিশেষ ‘স্ব-গণনা কেন্দ্র’, কীভাবে করবেন আবেদন?

অগ্নিকাণ্ডে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ, হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি, বিএমওএইচ-এর অনুপস্থিতি এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ, সমস্ত বিষয়েরই নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। বর্তমানে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এখন সেই তদন্তের রিপোর্টের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

By Admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WordPress Catalog Separator For WPBakery Page Builder Serano – Creative Portfolio WordPress Theme Serenite – Startup & SaaS WordPress Theme Serenity - Wedding Organizer Elementor Template Kit Serenova - Psychology & Mental Health Elementor Pro Template Kit Serity – CCTV and Security Cameras WordPress Theme Serity – CCTV & Security Cameras Elementor Template Kit Service Finder – Provider and Business Listing WordPress Theme Services | Infobox Addons for WPBakery Page Builder Servicio – Electrician & Electrical Services Template Kit