Last Updated:
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জমি দখল থেকে শুরু করে বিভিন্ন বেআইনি কাজে যুক্ত ছিলেন তিনি। পার্টি অফিসে ডেকে সাধারণ মানুষকে ভয়ও দেখানো হত বলে অভিযোগ।
কলকাতা: তাম্রলিপ্ত পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর তথা তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি চঞ্চল খাঁড়াকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করল পুলিশ। তমলুক পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরের নামে দুর্নীতির বহু অভিযোগ থানায় লিখিত ভাবে জমা পড়লেও এতদিন গ্রেফতার করা হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, শাসক দলের নেতা থাকার কারণেই তাঁকে পুলিশ এতদিন গ্রেফতার করেনি। ধৃত তৃণমূল নেতাকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা নাগাদ বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে চঞ্চল খাঁড়াকে তাঁর বাড়ি থেকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। প্রায় ১০ ঘণ্টা টানা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তমলুক থানার পুলিশ রাতেই গ্রেফতার করে তৃণমূল নেতাকে। সকালে ডাক্তারি পরীক্ষার পরে তমলুক জেলা আদালতে তোলা হয় তৃণমূল নেতাকে। গ্রেফতারের খবর শুনে সকালবেলায় তমলুক থানার সামনেই বেশ কিছু মানুষকে বিক্ষোভরত অবস্থায় দেখা যায়। তৃণমূলের চঞ্চল খাঁড়ার পাড়ার বাসিন্দা চিকিৎসক পার্থসারথি মান্না জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে এইসব নেতাদের কুকর্মে তমলুক অতিষ্ঠ। জোরপূর্বক অন্যের জায়গা দখল করা থেকে শুরু করে একাধিক কাজ করে বেরিয়েছিল। পার্টি অফিসে বিভিন্ন লোককে ডেকে পুলিশের ভয় দেখাত। আজ আমরা খুশি আমরা এইসব নেতাদের কাছ থেকে মুক্তি পেয়ে।’ পুলিশ সূত্রে খবর, একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ চঞ্চল খাঁড়াকে তাঁর বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে আসে তমলুক থানার পুলিশ। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে টানা জিজ্ঞাসাবাদ চলে। রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
একইদিনে গ্রেফতার বিধাননগর পৌরনিগমের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী ওরফে চিন্টু। এক বছর আগে প্রোমোটারকে মারধরের ঘটনার অভিযোগ হয়েছিল এই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। একটি নতুন মামলাও করা হয়। সেই মামলায় বাড়ি থেকে তুলে এনেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। পুরনো যে মামলা রয়েছে, সেটাও যোগ করা হচ্ছে পুলিশের পক্ষ থেকে।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
