Last Updated:
Trawler Capsizes in Bay of Bengal: বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবির মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই ব্যক্তি, যাঁদের বাড়ি নদিয়ায় বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও তাঁদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। মৃতদেহ শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পরিবার। অনিশ্চয়তা ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটছে স্বজনদের।
নদিয়া, মৈনাক দেবনাথ: জীবিকার তাগিদে ৬৫ বছর বয়সেও সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিলেন চাকদহের নিরাপদ হালদার, ৫৭ বছর বয়সী সুকুমার বর্মন। সূত্রের খবর, ১৩ জনের একটি দল দিঘা শংকরপুর থেকে সমুদ্রে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। ট্রলার ডুবে যাওয়ায় তাঁদেরই মধ্যে নয় জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া মৃতদেহগুলির মধ্যে নদিয়ার বাসিন্দা নিরাপদ হালদার (৬৫) এবং সুকুমার বর্মন (৫৭) রয়েছেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। চূড়ান্ত পরিচয় নিশ্চিত করতে এখন ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষায় দুই পরিবার।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ জুন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন নিরাপদ হালদার ও সুকুমার বর্মন। ২ জুলাই দিঘা থেকে জয় মা কালী নামে একটি মাছ ধরার ট্রলারে চেপে বঙ্গোপসাগরে রওনা দেন তাঁরা। সমুদ্রে প্রবল ঝড় বৃষ্টির কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। তারপর থেকে আর খোঁজ মিলছিল না ট্রলারের। দীর্ঘ তল্লাশির পর রবিবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোবর্ধনপুর সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় ট্রলারটির অবস্থান নিশ্চিত করে পুলিশ ও বন দফতর। পরে ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনী এই ট্রলার থেকে ন’জন মৎস্যজীবীর মৃতদেহ উদ্ধার করে। তবে দেহগুলির অবস্থা এমন যে, ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছে।
Nadia,West Bengal
