কলকাতা: নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থীর প্রার্থী হিসেবে, নওদা এবং রেজিনগর, এই ২টি আসন থেকেই এগিয়ে রয়েছে হুমায়ুন কবীর। মুর্শিদাবাদ জেলায় বেশ অনেকগুলি আসনে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি।
কী বললেন হুমায়ুন?
শেষ রাউন্ডের ফলাফল সামনে আসার পরে, এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘মানুষ আমাদের পছন্দ করেছেন, আমাদের অধিকার দিয়েছেন। প্রচারেই আমি আভাস পেয়েছিলাম। অনেক বিরোধিতা, অপপ্রচার সহ্য করেছি। তৃণমূল কংগ্রেসের হুমকি উপেক্ষা করেছি। নওদা ও রেজিনগর, ২টি জায়গাতেই আমি জিতছি।’ তবে হুমায়ুন কবীর ছাড়া, তাঁর দলের বাকি প্রার্থীরা খাতাই খুলতে পারেননি। এই বিষয়ে হুমায়ুন কবীর বলছেন, ‘এখনও লড়াই জারি রয়েছে, দেখা যাক না কী হয়। রেজিনগরে তৃণমূলের প্রার্থী তৃতীয়তে চলে গিয়েছে। বিজেপির সঙ্গে আমার লড়াই হচ্ছে। নওদাতেও আশা করছি, আমিই জিতব।’ হুমায়ুন আরও বলেন, ৪ দিন আগেও তৃণমূল কংগ্রেস বলেছিল, ‘১২টা সিট জিতছে। এখন সেই জায়গায় তারা আছে কি না, আমার জানা নেই।’
আরও পড়ুন: Dev: পশ্চিমবঙ্গে জোরকদমে চলছে ভোটগণনা, তারমধ্যেই দুঃসংবাদ দিলেন সাংসদ দেব! মনখারাপ অভিনেতার
অপেক্ষার অবসান। ২০২৬-এ বঙ্গের কুর্শিতে কে, সেই উত্তর জানা যাবে আজই। এবার পশ্চিমবঙ্গে ২ দফায় ভোট হয়েছে। নজিরবিহীনভাবেই মানুষ এবার ভোটে অংশগ্রহণ করেছেন। কার্যত রেকর্ড ভোট পড়েছে এবার পশ্চিমবঙ্গে। ২০১১ সালের ভোটদানের হারকেও পার করে দিয়েছে, ২০২৬ সাল। ২০১১ সালেই সিপিএম সরকারের পতন ও তৃণমূলের হাতে আসে বাংলার ক্ষমতা। এবারের নির্বাচনে আরও একটা উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বিক্ষিপ্তভাবে অশান্তির খবর সামনে আসলেও, এবারের ভোটে চূড়ান্ত অশান্তি, প্রাণহানির মতো দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেনি। সেই কারণেই মনে করা হচ্ছে, এবারের নির্বাচন তুলনামূলকভাবে অনেকটাই স্বচ্ছ হয়েছে। মানুষ ভোটকেন্দ্রে এসে, ইভিএম-এ নিজের মতামত জানাতে পেরেছেন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের ৭৭ টি কেন্দ্রে একসঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটগণনা। এবার ফলাফল জানার পালা।
শেষ পাওয়া সকাল ১১.৪৫ অবধি পাওয়া ট্রেন্ড অনুযায়ী, ১৭০ টি সিটে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে, ১০৩ টি আসনে। সিপিএম এগিয়ে রয়েছে ২টি আসনে। কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৩টি আসনে। অন্যান্যরা এগিয়ে রয়েছে ২টো আসনে।