মুম্বই : নতুন করে ডামাডোল শুরু হয়েছে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে। গত কয়েকদিন ধরেই অভিযোগ উঠছে যে, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন শিবসেনা (উদ্ধব ঠাকরে শিবির)-র ছয় সাংসদ। গতকাল নাম না করে এই গোষ্ঠীকে একহাত নেন উদ্ধব গোষ্ঠীর অন্যতম বিশ্বস্ত নেতা সঞ্জয় রাউত। মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে এই ইস্যুতে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এবার বিদ্রোহী ছয় সাংসদকে ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মহারাষ্ট্র পুলিশ।
‘অপারেশন টাইগার’ নিয়ে চর্চার আবহে তাঁদের নিরাপত্তা জোরদার করা হল। এদিকে এই পরিস্থিতিতে দলের ‘নিখোঁজ’ সাংসদদের নিয়ে জল্পনার মধ্যেই আজ দিল্লিতে সংসদীয় দলের বৈঠক ডাকে উদ্ধব শিবির। যদিও সেই বৈঠকে খুব কম সংখ্যক সাংসদই উপস্থিত ছিলেন। পরে এনিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে সরব হন শিবসেনা (UBT)-র মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত এবং সাংসদ অরবিন্দ সাওয়ন্ত।
শিবসেনা উদ্ধব ঠাকরে শিবিরে ভাঙনের জল্পনার আবহে গতকাল তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন দলের সাংসদ সঞ্জয় রাউত। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে সুর চড়ান তিনি। তাঁদের বিরুদ্ধে তোলেন ‘বিশ্বাসঘাতকতার’ অভিযোগ। বিদ্রোহী সাংসদদের সতর্ক করে দিয়ে সঞ্জয় বলেন, যারা দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন, জনগণের কাছে তাঁদের জবাবদিহি করতে হবে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, শিবসেনা UBT-র একাধিক সাংসদ একনাথ শিণ্ডে নেতৃত্বাধীন শিবসেনা শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন। যার জেরে ঠাকরে শিবিরে নতুন করে টালমাটাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে সাংবাদিক বৈঠক করে গতকাল সরব হলেন সঞ্জয়।
যেসব জনপ্রতিনিধি শিবির বদলের চেষ্টা করছেন, তাঁদের একহাত নিয়ে তিনি বলেন, “উদ্ধব ঠাকরে আমাদের ভাইয়ের মতো মনে করেন, বাবাসাহেব আমাদের বাবার মতো ভালবাসতেন। এই মানুষগুলো যারা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাঁরা অসৎ। ওঁদের রক্তেই প্রতারণা আছে।” বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে নিশানা শানালেও, কোনও সাংসদ বা রাজনৈতিক দলের নাম নেননি সঞ্জয়। এমনকী তিনি এমন অভিযোগও করেন যে, কিছু নেতা ব্যক্তিগত লাভের জন্য দলকে ছেড়ে যেতেও ইচ্ছুক। এই নেতারা দল এবং ভোটার উভয়পক্ষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন বলে নিশানা শানান তিনি। কারণ, এই বিদ্রোহী নেতারা শিবসেনা UBT-র প্রতীকে জিতে এসেছেন। সঞ্জয় সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “আমাদের কাছে শিবসেনা শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়। এটা আমাদের আদর্শ এবং পরিচিতি। যে-ই দলের সঙ্গে প্রতারণা করবে তাঁকেই মানুষের কাছে জবাব দিতে হবে।”
Siciliana Restaurant: কলকাতায় বসে ইতালির স্বাদ! দ্বিতীয় বছরে পা দিল ভবানীপুরের ইতালিয়ান রেস্তোরাঁ সিসিলিয়ানা