নয়া দিল্লি : কেমন আছেন সোনম ওয়াংচুক? জানানো হল দিল্লির সফদরজং হাসপাতালের তরফে। সফদরজং হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডাক্তার মনীষা ঠাকুর জানিয়েছেন, ‘গতকাল অর্থাৎ ১৮ এপ্রিল থেকে সেখানে ভর্তি রয়েছেন সোনম ওয়াংচুক। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। আপাতত তাঁর অবস্থা (ভাইটাল প্যারামিটারস) স্থিতিশীল। রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট (ব্লাড প্যারামিটারস)- এর ক্ষেত্রে গতকালের তুলনায় সামান্য উন্নতি দেখা গিয়েছে। এখন সোনম ওয়াংচুকের লাগাতার পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। একটি মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিম আপাতত সোনম ওয়াংচুকের দেখভাল করছেন। এই দলে রয়েছেন দিল্লি এইমস এবং সফদরজং হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা। দুই হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদেরই মতামত নেওয়া হচ্ছে সোনম ওয়াংচুকের চিকিৎসার ক্ষেত্রে। ঘড়ি ধরে পর্যবেক্ষণ এবং চিকিৎসা প্রয়োজন সোনম ওয়াংচুকের। অনেকদিন ধরে অনশন করলে অর্থাৎ না খেয়ে থাকলে, উপোস করলে, শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি হয় এবং বড়সড় জটিলতা তৈরি হয়। তাই শুরুতেই সমস্যা ধরা পড়া খুব জরুরি বিষয়। পর্যবেক্ষণের মাধ্যমেই তা সম্ভব। কোনও সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা হবে এবং সোনম ওয়াংচুকের খেয়াল রাখা হচ্ছে সবরকমভাবে।’
#WATCH | Delhi: On Sonam Wangchuk’s health update, Dr. Prof. Manisha Thakur, HOD Medicine, Safdarjung Hospital, says, “Sonam Wangchuk is admitted under VMMC and Safdarjung Hospital. Since yesterday, he is under close monitoring and observation. His vital parameters at present is… pic.twitter.com/qFeCJl6g56
— ANI (@ANI) July 19, 2026
NEET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আমরণ অনশন আন্দোলন করছিলেন সমাজকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। ২১ দিনের মাথায় দিল্লির যন্তরমন্তর থেকে সোনম ওয়াংচুককে সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সোনম ওয়াংচুককে। এখানেই শেষ নয়, আন্দোলনকারীদের জোর করে সরানো হয়েছে অনশনস্থল থেকে। দিল্লির DCP-র তরফে জানানো হয়েছে, হাইকোর্টের নির্দেশ এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
মালদায় টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েত ভোটে টিকিট বিক্রি ! অভিষেককে নিশানা ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এর প্রসূনের
সংসদ ভবন অভিযানের আগেই, অনশনের ২১ দিনের মাথায় সোনম ওয়াংচুককে যন্তর মন্তর থেকে সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। প্রতিবাদে চলছে বিক্ষোভ, অনশন। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই অনশনকারীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। যদিও তা মানতে নারাজ সোনম ওয়াংচুকের স্ত্রী। তাঁর দাবি, সোনম এখনও অনশন ভাঙেননি।