কলকাতা: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট মিটিং করলেন NCPI সাংসদরা। মূলত শিবসেনা, NCPI-সহ নতুন যাঁরা NDA-এর শরিক হয়েছেন, সেই সকল সাংসদদের ডাকা হয়েছিল এই প্রাতঃরাশ বৈঠকে। NCPI সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বৈঠকের পর বলেন, ‘আমাদের ডেকেছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমাদের সঙ্গে ওঁনার মিটিং হয়েছে। আমরা অভিভূত যেভাবে উনি ভারতবর্ষকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন। দেশের উন্নয়ণ চাইছেন। উনি আমাদের নিজেই বললেন যে বিগতদিনে পূর্ব ভারত থেকে শ্রমিক, জিনিসপত্র যেত, কিন্তু উন্নয়ণ হত না। তবে এবার সময় বদলেছে। এবার উন্নয়ণ পূর্ব ভারতেও হবে। কলকাতা যখন রাজধানী ছিল তখন ভারত অনেক এগিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী চাইছেন যে ফের একবার কলকাতাকে সেই জায়গায় নিয়ে যেতে চান। যাতে কলকাতা, ভুবনেশ্বর, গুয়াহাটির উন্নয়ণ সারা ভারতে ছড়িয়ে যায়।’
এই ইস্যুতে শতাব্দী রায় বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের সবার সঙ্গে আড্ডা মেরেছেন, গল্প করেছেন। প্রত্যেককে তাঁদের অবদান রাখতে বলেছেন। উন্নয়ণের ভাবনা কীভাবে কী করা হবে, তা নিয়েও কথা শুনতে চেয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, চল্লিশের ওপর যাঁদের যাঁদের বয়স তাঁরা যোগা করো নিয়ম করে আর মেডিক্যাল চেক আপ করবেন একবার করে বছরে।’
এদিন, প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে থাকতে অভিনেতা সাংসদ দেবকে দেখা যায়নি। আর এবার সেই না থাকার কারণ নিজেই জানালেন সোশ্যাল পোস্টে তিনি। NCPI সাংসদ ও অভিনেতা দেব পোস্ট করে জানিয়েছেন, ‘শ্যুটিং থাকার কারণে আজ প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে থাকতে পারিনি। ভবিষ্যতে তাঁদের সঙ্গে বৈঠকে থাকবউন্নয়ন, মানুষের স্বার্থে কাজ করব’, পোস্ট দেব-এর।
উল্লেখ্য, ধোঁয়াশা কাটিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিলেন মুর্শিদাবাদের ৩ সংখ্যালঘু সাংসদ। এর আগে NDA বৈঠকের আগে গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গিয়ে দেখা করে এসেছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। গত মঙ্গলবার NDA-র বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একই সারিতে দেখা যায় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। NCPI সাংসদরা ছাড়াও শিবসেনা উদ্ধব গোষ্ঠী থেকে শিন্ডে গোষ্ঠীতে আসা ৬ সাংসদও গেলেন ব্রেকফাস্ট বৈঠকে। কারও জন্য বিজেপির দরজা খোলা হচ্ছে না। দরজা খুললে কর্মীরাও মেনে নেবে না। তা বলে বাড়ির পাশের লোক অন্য রাজনীতি করেন বলে কথা বলব না, তা নয়। মন্তব্য দিলীপ ঘোষের।