Last Updated:
Flydubai Flight Incident Attack Weapon: ফ্লাইদুবাই বিমানে মাঝ আকাশে ভারতীয় পাইলট স্মিত মাচ্ছারের উপর হামলার ঘটনায় তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রাথমিকভাবে ছুরি দিয়ে হামলার কথা বলা হলেও, তদন্তকারীদের ধারণা, ককপিটে থাকা ‘ক্র্যাশ অ্যাক্স’ দিয়েই হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে। কেন বিমানের ককপিটে রাখা হয় এই অ্যাক্স?
মাঝ আকাশে উড়ছে ফ্লাইদুবাই৷ ঠিক তখনই ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের উপর হামলা চালায় অভিযুক্ত কো-পাইলট হামাম৷ তারপরেই ধস্তাধস্তি এবং হিরোর মতো আঘাত নিয়েও ককপিটের দরজা খুলে দেন পাইলট স্মিত মাচ্ছার৷ কিন্তু এই ঘটনায় একটি প্রশ্ন বেশিরভাগ সকলের মনেই ঘুরপাক খাচ্ছে, তা হল, কীভাবে ককপিটের মধ্যে অস্ত্র হাতে পেলেন কো-পাইলট৷ যেখানে বিমানে যেকোনও ধরণের অস্ত্র নিয়ে যাওয়ার একেবারে বারণ৷ সেখানে খোদ পাইলটকে কোন অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করেন কো-পাইলট? অস্ত্র পেলেনই বা কী করে?
প্রাথমিকভাবে দাবি করা হয়েছিল, ওমানের কো-পাইলট সম্ভবত বিমানের কাটলারিতে থাকা একটি ছুরি ব্যবহার করে ভারতীয় পাইলট তথা ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে ছুরিকাঘাত করেন। তবে সাম্প্রতিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত হামলাকারী বাইরে থেকে কোনও ছুরি বা অস্ত্র বিমানে নিয়ে আসেননি।
আর্ন্তজাতিক মানের সংবাদমাধ্যম CBS News-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্ভবত বিমানের ককপিটে রাখা ‘ক্র্যাশ এক্স (এক জাতীয় কুড়ুল)’ বা ফায়ার এক্স দিয়েই স্মিতের উপর হামলা চালিয়েছিলেন অভিযুক্ত কো-পাইলট৷ ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও এর আগে দাবি করেছিলেন, হামলায় একটি ক্র্যাশ এক্স ব্যবহার করা হয়েছিল। আর এই ক্র্যাশ এক্স ককপিটেই রাখা থাকে৷
আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি বাণিজ্যিক বিমানে ক্র্যাশ এক্স বা এই বিশেষ ধরণের কুড়ুলটি রাখা বাধ্যতামূলক। বিমান তৈরির সময়ই এই সরঞ্জাম রাখা হয়। দুর্ঘটনার পর জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজে ব্যবহারের জন্য কয়েক দশক ধরে বিমানে বিভিন্ন ধরনের অ্যাক্স রাখা হয়ে আসছে।
একসময় এই ধরনের অ্যাক্স বিমানের যাত্রী কেবিনে রাখা হত। তবে ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর সেগুলি ককপিটে রাখার ব্যবস্থা করা হয়। বর্তমানে পাইলটদের হাতের নাগালেই ককপিটে এই জরুরি সরঞ্জাম রাখা থাকে।
