Last Updated:
দলীয় গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নির্বাচনের তথ্য জমা দিতে ঋতব্রত-পন্থী তৃণমূলকে আরও ১৫ দিনের সময় দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে মমতা-শিবিরের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন কার্যত ‘বিজেপির দপ্তরে’ পরিণত হয়েছে।
নয়াদিল্লিঃ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-পন্থী তৃণমূলকে দলীয় গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নির্বাচনের বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়ার জন্য আরও ১৫ দিনের সময় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার বিকেলে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-পন্থী তৃণমূল।
মমতা-শিবিরের অভিযোগ, “নির্বাচন সদন কার্যত বিজেপির দপ্তরে পরিণত হয়েছে।” কমিশনের এই সিদ্ধান্ত পক্ষপাতদুষ্ট বলেও দাবি তাদের। রাজনৈতিক মহলের মতে, কমিশনের এই পদক্ষেপ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে আরও উসকে দিতে পারে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর গত ৬ জুলাইয়ের মধ্যে উভয় পক্ষ—মমতা-পন্থী এবং ঋতব্রত-পন্থী তৃণমূলকে—দলীয় গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক নির্বাচনের সমস্ত তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনে মমতা-পন্থী তৃণমূল ১৪ পাতার একটি বিস্তারিত চিঠি কমিশনের কাছে জমা দেয়।
অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-পন্থী শিবির প্রথমে পাঁচ দিনের অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর ফের আরও ১৫ দিনের সময় চেয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়। সোমবার কমিশন তাদের সেই আবেদন মঞ্জুর করে বলে সূত্রের খবর।
এদিকে, নিজেদের অবস্থানের পক্ষে মমতা-পন্থী তৃণমূল জানিয়েছে, দল গঠনের পর প্রথমে তিন বছর এবং পরে চার বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন হলেও, ২০০৬ সালে দলের সংবিধান সংশোধন করে পাঁচ বছর অন্তর নির্বাচন করার বিধান আনা হয়। সেই নিয়ম মেনেই ২০২২ সালে সর্বশেষ সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছে এবং বর্তমান কমিটির মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত বৈধ।
মমতা-শিবিরের দাবি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-পন্থী গোষ্ঠী যে তিন বছরের মেয়াদের যুক্তি তুলে ধরছে, তা দলের সংবিধান ও আইনগত বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।
Kolkata,West Bengal
Jul 13, 2026 10:51 PM IST
