‘কাঞ্চন শুধু অভিনয়টুকুই পারে, রাজনীতি নয়’, প্রাক্তন বিধায়কের জন্মদিনে বললেন স্ত্রী শ্রীময়ী


কলকাতা: প্রত্যেক বছর এই দিনটা শুরু হয় কালীঘাটে পুজো দিয়ে, তবে এবার ব্যতিক্রম। একরত্তি মেয়ের অসুস্থতার জন্য এবার বাড়ির বাইরে কোথাও বেরনো হয়নি। বাড়িতেই যাবতীয় আ.োজন করেছিলেন স্ত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ (Sreemoyee Chattoraj)। তিনিই এবিপি লাইভ বাংলাকে (ABP Live Bangla) শোনালেন, কেমন কাটল অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিকের (Kanchan Mallick)-এর জন্মদিন। হ্যাঁ, এই জন্মদিনে তিনি শুধুই অভিনেতা এবং একেবারে ঘরোয়া মানুষ। এবার তাঁর জন্মদিনে আর কোনও রাজনীতির ছোঁয়া নেই। 

যে দিনটা কাঞ্চনের জন্মদিন, তার ঠিক দিন ২ আগেই, বড় পরিবর্তন এসেছে পশ্চিমবঙ্গে। পাল্টে গিয়েছে বাংলার নেতৃত্ব। তৃণমূল সরকারের ভোটে ধস, সরকার গড়ার পথে বিজেপি। একটা সময়ে দীর্ঘ ৫ বছর তৃণমূলের বিধায়কের দায়িত্ব সামলেছেন কাঞ্চন। তবে ২০২৬-এর নির্বাচনে টিকিট পাননি তিনি। কাঞ্চনের জন্মদিনে স্বামীর হয়ে শ্রীময়ীই বললেন, ‘এভাবের ভোটের আগে, কাঞ্চন নিজেই গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)-র কাছে অব্যাহতি চেয়েছিল। ও বুঝেছিল, রাজনীতিটা ওর দ্বারা সম্ভব নয়। গত ৫ বছরে কাঞ্চন কিছু কম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যায়নি। বিধায়ক হয়েও কোনও সভা, পদযাত্রায় ডাক পেত না, ওকে প্রচারের গাড়ি থেকে পর্যন্ত নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমি তখন প্রেগন্যান্ট। কাঞ্চন আমার কাছে এসে হাউহাউ করে কেঁদেছিল। দলের মধ্যে অনেক সমস্যা ছিল। অভিনেতা হিসেবে কাঞ্চন যে সম্মানটা অর্জন করেছিল, রাজনীতিতে এসে সেটা নষ্ট হয়েছে। তবে আমি একটাই কথা বলব, কাঞ্চন শিরদাঁড়া সোজা রেখেই কাজ করে গিয়েছে। তাই ও ব্যর্থ বিধায়ক। নিজের কোনও উন্নতি করতে পারল না। এখন তাই বলে, অভিনয়টাই ওর জায়গা। সেটাই ও মন দিয়ে করতে চায়, সুযোগ থাকলেও রাজনীতিতে আর জড়াতে চায় না কাঞ্চন।’

আরও পড়ুন: Dev On BJP: ব্যান সংস্কৃতি ও বিভেদ তৈরির চেষ্টা যেন…BJP-র কাছে আবেদনে কি নিজের দলকেই খোঁচা দেবের?

এই বছর জন্মদিনে কাঞ্চনের জন্য বিশেষ কী আয়োজন করেছিলেন শ্রীময়ী? অভিনেত্রী বললেন, ‘মেয়েটার (কৃষভি) খুব শরীর খারাপ। গত দেড় মাস যাবৎ ভীষণ ভুগল। প্রত্যেক বছর এই দিনটায় কালীঘাটের মন্দিরে পুজো দিতে যাই। তবে এবার কৃষভিকে বাইরে বের করতেও ভয় লাগছে। তবে কাঞ্চনের সঙ্গে সময় কাটাবো বলে আমি ছুটি নিয়েছিলাম আজ। তাই বাড়িতেই কাঞ্চনের যাবতীয় পছন্দের খাবার রান্না হয়েছিল। পাঁঠার মাংস থেকে শুরু করে পায়েস, ও যা যা ভালবাসে, সব সাজিয়ে দিয়েছিলাম। আর গতকাল রাতেই তো বাবা-মেয়ে কেক কেটেছে। কৃষভি এখন কেক দেখলে খুব উচ্ছ্বসিত হয়। বাবা আগে ও ই কেক কেটে ফেলল। রাতে বাড়িতে কয়েকজন বন্ধুরা আসবেন। সব মিলিয়ে একেবারে ঘরোয়া আয়োজন। এতেই আমরা খুশি।’

 

By Admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WordPress Catalog YITH WooCommerce Review Reminder Premium YITH WooCommerce Role Based Prices Premium YITH WooCommerce Save for Later Premium YITH WooCommerce Sequential Order Number Premium YITH WooCommerce Share for Discounts Premium YITH WooCommerce SMS Notifications Premium YITH WooCommerce Social Login Premium YITH WooCommerce Stripe Premium YITH WooCommerce Subscription Premium YITH WooCommerce Surveys Premium