মধ্যমগ্রাম: ভোটের ফল ঘোষণার পরই ভয়ঙ্কর ঘটনা। মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আপ্ত সহায়ককে গুলি করে খুন করা হল! পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ককে গুলি করে হত্যাকরা হল । গাড়ি থামিয়ে গুলি চন্দ্রনাথ রথ-কে, হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয় শুভেন্দুর আপ্তসহায়ককে। আহত শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়কের গাড়ির চালকও। তাঁরও গুলি লেগেছে। কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে ।
ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন শুভেন্দু অধিকারী, অর্জুন সিংহ, সুকান্ত মজুমদার, অগ্নিমিত্রা পাল, রুদ্রনীল ঘোষরা । অভিনেতা ও শিবপুর থেকে বিধানসভা নির্বাচনে জেতা রুদ্রনীল তৃণমূল কংগ্রেসকে তুমুল আক্রমণ করেছেন । বলছেন, ‘এই নৃশংসতা, এই দাঁত-নখ বার করা । মানুষের ওপর অত্যাচার, তিনশোর ওপর বিজেপি কর্মী খুন । ঠিক এই পিশাচ মন নিয়েই ওরা করে গিয়েছে । ধন্যবাদ দেব পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে যাঁরা এই দাঁত নখ কত ভয়ঙ্কর হতে পারে তা বুঝতে পেরেছেন । এসআইআরকে আটকে দিয়ে যদি ভুয়ো ভোটে জিতত তাহলে তারা ঘরে ঘরে এই কাণ্ড ঘটাত। প্রত্যেক বাড়িতে চন্দ্রনাথ রথ হতো । ক্ষমা করা হবে না । আইন আইনের মতো বন্দোবস্ত নেবে । পুলিশি তদন্ত চলবে। কাউকে ছেড়ে দেওয়া হবে না ।’
আরও পড়ুন: ভাড়াটে খুনি এনে খুন, নেপথ্যে বড় নাম! গুলিতে ঝাঁঝরা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক
রুদ্রনীল আরও বললেন, ‘দেখুন শুধু একটাই কথা এ নিয়ে বলতে পারি, যে নৃশংসতার পরিচয় দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস, তারা স্বভাব পরিবর্তন করতে পারেনি। একজন হেরে গিয়ে কুর্শি ছাড়তে চাইছে না। ঠিক তেমনই যারা গুলি করে মানুষ মারে, যারা মানুষ মারে, গণতন্ত্রকে লুঠ করে, মানুষ তার গণ অধিকার চাইলে হত্যা করে দেওয়া হচ্ছে, সেই স্বভাব তৃণমূল পাল্টাতে পারেনি। দুষ্কৃতী মানেই তৃণমূল, তৃণমূল মানেই দুষ্কৃতী। আলাদা করে কোনও দুষ্কৃতী নেই।’
যদিও অশান্তি ছড়িয়ে পড়ুক, চান না রুদ্রনীল। বলেছেন, ‘শান্ত থাকতেই হবে। ভারতীয় জনতা পার্টির ওপর অনেক বড় দায়িত্ব তুলে দিয়েছে মানুষ। যারা অরাজক, তারা অরাজকতা করবেই। আমাদের শান্ত থাকতে হবে, শান্তি রাখতে হবে।’
আরও পড়ুন: পদ আঁকড়ে মমতা, হার নিশ্চিত বুঝে দুপুরেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য