Last Updated:
মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালী দিয়ে LNG পরিবহণ স্বাভাবিক হওয়ায় জরুরি গ্যাস সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ তুলে নিল কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তে দেশের জ্বালানি সরবরাহে কী প্রভাব পড়বে, জেনে নিন বিস্তারিত।
কলকাতা: ইরান-আমেরিকার মধ্যে চলতে থাকা উত্তেজনা কাটতে শুরু করার পর আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে ৷ এর জেরে স্বাভাবিক হয়েছে এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতিও ৷ এর আগে ৩০ জুন পেট্রোল ও ডিজেলের খুচরো বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছিল সরকার ৷ এবার প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের ৷
এর আগে, ৯ মার্চ কেন্দ্র সরকার Natural Gas (Supply Regulation) Order, 2026 জারি করেছিল। এই নির্দেশে প্রাকৃতিক গ্যাস, LNG এবং রিগ্যাসিফায়েড LNG-র উৎপাদন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরাদ্দ, সরবরাহ, বণ্টন, ব্যবহার ও ভোগ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে দেশের সব প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সমানভাবে গ্যাসের জোগান বজায় রাখা যায়।
মন্ত্রকের মতে, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালী দিয়ে আবার জ্বালানি পরিবহণ শুরু হয়েছে এবং LNG কার্গো চলাচলও স্থিতিশীল হয়েছে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে আবার জ্বালানি পরিবহণ শুরু হয়েছে
এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকার Natural Gas (Supply Regulation) (Amendment) Order, 2026 জারি করে জরুরি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করেছে।
সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে LNG পরিবহণ ব্যাহত হয়েছিল। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর আলোচনা চলছে এবং এর অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল আবার শুরু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।”
ভারত তার মোট অপরিশোধিত তেলের (Crude Oil) প্রায় ৮৮% এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ৫০% আমদানির উপর নির্ভরশীল। এর মধ্যে মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৪০-৪৫% এবং LNG আমদানির প্রায় ৬৫% আসে পশ্চিম এশিয়া থেকে। তাই হরমুজ প্রণালীতে কোনও ধরনের বিঘ্ন ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
Kolkata,West Bengal
