Last Updated:
দিল্লি পুলিশের অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে ছুরি ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছিল। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৫টি এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে।
নয়াদিল্লি: শিক্ষায় দুর্নীতি, নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে অনশন শুরু করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাসপাতালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের উপস্থিতিতে ২৬ দিনের সেই অনশন ভেঙেছেন তিনি। কিন্তু বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না। মন্ত্রীর ইস্তফার দাবি আদায়ের আগেই কেন অনশনের পথ থেকে সরে এলেন সোনম? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। এদিকে পুলিশের দাবি অনুযায়ী ২০ জুলাইয়ের বিক্ষোভে সংঘর্ষের পর যন্তর মন্তরে স্থাপিত দিল্লি পুলিশের ফেশিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম (FRS) গত তিন দিনে বিক্ষোভস্থলে অপরাধমূলক অতীত রয়েছে এমন ২,৫০০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে।
পুলিশ সূত্রের দাবি, ২১ জুলাই থেকে ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে বিরোধী সমর্থিত আন্দোলনের সময় সংঘর্ষের পর নজরদারি জোরদার করতে এফআরএস (Facial Recognition System (FRS) মোতায়েন করা হয়। এই সময়ে সিস্টেমটি ২,৫০০-রও বেশি এমন ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে, যাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে।
দুষ্কৃতীরা ছুরি দিয়ে পুলিশকর্মীদের উপর হামলা চালায়:
পুলিশের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের ভিড়ের মধ্যে মিশে থাকা দুষ্কৃতীরা নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছিল এবং ছুরি ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করছিল।
বিক্ষোভস্থলের আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও প্রস্থানপথে চারটি এফআরএস ইউনিট বসানো হয়েছে, যা দিল্লি পুলিশের কেন্দ্রীয় ডেটাবেসের সঙ্গে সংযুক্ত। পুলিশ আধিকারিকরা রিয়েল-টাইমে এই ব্যবস্থার উপর নজরদারি করছেন। এর ফলে পুলিশের নথিতে আগে থেকেই থাকা কোনও ওয়ান্টেড অপরাধী বা অভ্যাসগত অপরাধী সেখানে উপস্থিত হলে সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর পরিচয় যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে।
ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-এর নেতৃত্বে হওয়া বিক্ষোভে যে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, তার তদন্ত চলাকালীন এই নতুন তথ্য সামনে এসেছে। দিল্লি পুলিশের দাবি, ২০ জুলাইয়ের ‘সংসদ চলো’ মিছিলের সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের সংঘর্ষের পরই ফেশিয়াল রিকগনিশন সিস্টেমটি সেখানে ইনস্টল করা হয়।
এখনও পর্যন্ত এই হিংসার ঘটনায় দিল্লি পুলিশ ১৫টি এফআইআর (FIR) দায়ের করেছে এবং পুলিশকর্মীদের উপর হামলা ও সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
Kolkata,West Bengal
