Last Updated:
নিউজ১৮ রাইজিং ভারত সামিটে ইথেরিয়াল মেশিনসের সিইও কৌশিক মুদ্দা জানান, কেন্দ্রের নীতিগত সহায়তা, RDI ফান্ড এবং বাড়তে থাকা বিনিয়োগের ফলে ভারতে ডিপ-টেক স্টার্টআপের বিকাশে নতুন গতি এসেছে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ও সঠিক মূলধন বরাদ্দের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।
নয়াদিল্লি: News18 রাইজিং ভারত সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইথেরিয়াল মেশিনস (Ethereal Machines)-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও কৌশিক মুদ্দা বলেন, কেন্দ্র সরকারের নীতি এবং রিসার্চ, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন (RDI)-এর জন্য অর্থায়নের উদ্যোগ ডিপ-টেক স্টার্টআপগুলির ভবিষ্যৎকে অনেক বেশি উজ্জ্বল করে তুলেছে।
তিনি বলেন, “RDI ফান্ডিংয়ের জন্য কেন্দ্র সরকারকে বড় কৃতিত্ব দিতেই হবে। এখন ডিপ-টেক এমন একটি ক্ষেত্র, যেখানে কাজ করাটা অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।” মুদ্দার মতে, সরকারি নীতি ও বিনিয়োগের ফলে ডিপ-টেক শিল্প আগের তুলনায় অনেক বেশি স্বীকৃতি পাচ্ছে। “সরকারি নীতি এবং বিনিয়োগের কারণে এখন এই খাত অনেক বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। ডিপ-টেক নিয়ে মানুষের আগ্রহ ও স্বীকৃতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে,” বলেন তিনি। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল (VC) সংস্থাগুলির আগ্রহও অনেক বেড়েছে। “দেশে এমন কোনও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বা বিনিয়োগকারী নেই, যারা প্রথমে আমাদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার পর আবার বিনিয়োগের সুযোগ চেয়ে ফিরে আসেননি,” জানান কৌশিক মুদ্দা।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ডিপ-টেক খাতে অর্থ বরাদ্দ অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে করা জরুরি, কারণ এই ধরনের প্রযুক্তি তৈরি করতে দীর্ঘ সময় ধরে গবেষণা ও পণ্য উন্নয়নের প্রয়োজন হয়।”RDI ফান্ড কাদের দেওয়া হচ্ছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যা তৈরি করি, বা ডিপ-টেক শিল্পে যে কোনও সংস্থা যা তৈরি করে, তার জন্য বছরের পর বছর গবেষণা, উন্নয়ন এবং পরিশ্রম লাগে,” বলেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভেঞ্চার ক্যাপিটাল (VC) সংস্থাগুলির মধ্যেও এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা সত্যিই ডিপ-টেকে দীর্ঘমেয়াদি আগ্রহী। আবার অনেকেই শুধুমাত্র FOMO বা অন্যরা বিনিয়োগ করছে বলে বিনিয়োগ করতে চান। তাই কোন বিনিয়োগকারীকে বেছে নেওয়া হচ্ছে, সেটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷”
কৌশিক মুদ্দা বলেন, বিশ্বজুড়ে উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি ‘চায়না প্লাস ওয়ান’ (China Plus One) কৌশল গ্রহণ করায় ভারতীয় সংস্থাগুলির সামনে নতুন রপ্তানি বাজারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।তিনি বলেন, “বর্তমানে আমাদের মোট আয়ের প্রায় ৭০ শতাংশই রপ্তানি থেকে আসে। আগে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৯০ শতাংশ। ভারতের বাজারে ব্যবসা করা সবসময়ই তুলনামূলক কঠিন ছিল। তবে এখন পশ্চিমা দেশগুলি থেকে ক্রমশ বেশি অনুসন্ধান এবং অর্ডার আসছে। ‘চায়না প্লাস ওয়ান’ নীতি বাস্তবেই কার্যকর হচ্ছে। আমি দেখছি, আরও বেশি উৎপাদন, যন্ত্রাংশ এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের কার্যক্রম ভারতের দিকে স্থানান্তরিত হচ্ছে।”
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
