তেলেঙ্গানা: স্ত্রী তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে মারার পরিকল্পনা করছেন। হ্যাঁ, এমনই অভিযোগ নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন তেলেঙ্গানার এক ব্যক্তি। একটি সাজানো পথ দুর্ঘটনায় তাঁকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিযোগকারী। ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’র প্রতিবেদন অনুযায়ী গাদে রাজেশ্বর রাও নামে সেই ব্যক্তি না কি তাঁর স্ত্রীয়ের ফোন হাতে নিয়ে দেখছিলেন। তখনই তাঁর নজরে আসে স্ত্রীয়ের সঙ্গে তাঁর প্রেমিকের কথোপকথন। হোয়াটস্যাপ ও ইনস্টাগ্রামে চ্য়াটগুলো নজরে আসে রাজেশ্বরের। সূত্রের খবর, মাহবুবাবাদ জেলার ডোরনাকাল মণ্ডলের চিলকোডু গ্রামের বাসিন্দা রাজেশ্বর রাও রাঘবপুল গ্রামের বাসিন্দাকে ভবানীকে বিয়ে করেছিলেন। দম্পতির দুটো কন্যাসন্তানও রয়েছে।
রাজেশ্বর রাও ২০১৬ সালে সূর্যপেট জেলার রাঘবপুরম গ্রামের বাসিন্দা ভবানীকে বিয়ে করেন। এই দম্পতির দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। খাম্মামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত রাজেশ্বর যে অভিযোগ জানিয়েছেন, তাতে জানিয়েছেন গত ২৭ জুলাই সাইদুলু নামের এক ক্যুরিয়ার ডেলিভারি পার্সনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীয়ের সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পেরেছিলেন। রাজেশ্বর চ্য়াটের স্ক্রিনশট পুলিশকে দিয়েছেন। এমনকী তিনি এটাও জানিয়েছেন যে কিছুদিন আগে যখন নিজের ভাইকে আনতে পাশের গ্রামে যাচ্ছিলেন, তখন সাইদুলু নাকি পিছু নিয়েছিল। যদিও কোনওমতে পিছু ছাড়িয়ে নিজের বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন রাজেশ্বর। পুলিশকে দেওয়া চ্যাটের স্ক্রিনশটে একটি জায়গা রাজেশ্বরের স্ত্রী তাঁর প্রেমিককে লিখেছেন, ‘যদি তুমি আমার স্বামীকে মারতে না পার, তাহলে আমি’।
A man in Telangana has alleged that his wife planned to have him killed in an accident with the help of her alleged lover, a courier delivery agent.
The alleged murder plot came to light after the husband reportedly discovered messages exchanged between the two on WhatsApp and… pic.twitter.com/SRlX9CALaq
— Hate Detector 🔍 (@HateDetectors) August 8, 2026
গত ১ আগস্ট রাজেশ্বর প্রথমে দোর্নাকল পুলিশ স্টেশনে গিয়ে এফআইআর দায়ের করেছিলেন স্ত্রীয়ের নামে। কিন্তু সেখানে কোনও এফআইয়ার নেওয়া হয়নি। কেসটি অন্য থানায় বদলি করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেই পুলিশ স্টেশনে গিয়েও খোঁজ নিয়ে দেখেন রাজেশ্বর যে কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। নিজের সুরক্ষা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তেলেঙ্গানার সেই ব্যক্তি। পুলিশের পক্ষ অবশ্য হোয়াটস্যাপ চ্যাট ও অন্যান্য কিছু পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।